× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

স্বপ্ন দেখাচ্ছে মাশরুম, প্রজেক্ট সৃজনী নিয়ে সাঁওতাল নারীদের পাশে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থী 

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পাশে কর্ণাই এলাকার সাঁওতাল নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একঝাঁক তরুণের সহযোগিতায় মাশরুম চাষ ও মাশরুম প্রস্তুত, রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। হাবিপ্রবির কয়েকজন তরুণের প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম 'প্রজেক্ট সৃজনী'র সহযোগিতায় মাশরুম সংগ্রহের পর রক্ষণাবেক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে তাদের জন্য।

প্রথমে হাবিপ্রবিতে অধ্যয়নরত কয়েকজন তরুণ মিলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেনিং নিয়ে মাশরুম প্রক্রিয়াজাত করে বাজারজাত করার পরিকল্পনা করেন। পুরো প্রক্রিয়ায় তারা যুক্ত করেন সাঁওতাল নারীদেরকে। মাশরুম সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে কর্ণাই নামক স্থানে সাঁওতাল পাড়ার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাঁওতাল নারীকে মাশরুম শুকানো ও প্রকিয়াজতকরণের ওপর প্রশিক্ষণ দেন তারা নিজেরাই। এরপর সংগ্রহ করা মাশরুম প্রক্রিয়াজাত করে সাঁওতাল নারীরা শুকনো মাশরুম তৈরি করেন এবং একইসাথে বর্জ্য পদার্থ থেকে হস্তশিল্পের মাধ্যমে ফুলদানি, শো-পিসও তৈরি করছেন।

প্রজেক্ট সৃজনীর সাথে সম্পৃক্ত তরুণরা জানান, প্রাথমিকভাবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো প্রোটিনের অভাবে ভোগা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন শিক্ষার্থীকে সূলভ মূল্যে প্রোটিন সরবরাহ করা। ইতিবাচক সারা পেলে আরও বড় পরিসরে শিক্ষার্থী এবং স্থানীয়দের মাঝেও মাশরুম সরবরাহ করতে আগ্রহী তারা।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে প্রজেক্ট সৃজনীর সঙ্গে জড়িত হাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মঈনউদ্দীন রাব্বি বলেন, সৃজনী প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো সাঁওতাল ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা। সুলভ মূল্যে মাশরুম পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করা এবং বর্জ্য প্লাস্টিক, টিনের ক্যান ও কাচের বোতলকে হস্তনির্মিত পণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা নিজেরাই মাশরুম সংগ্রহ করে সাঁওতাল নারীদের সহযোগিতায় তা প্রক্রিয়াজাত করি এবং এ থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ তাদেরকে প্রদান করি। ভবিষ্যতে তাদেরকে মাশরুম চাষের উপর ট্রেনিং দিয়ে তাদের দ্বারাই মাশরুম উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!