× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

রাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি প্রমাণ মেলায় তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ডের প্রমাণ মেলায় তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক পর্যায় সিন্ডিকেটের ৫৪৫তম সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ।

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযুক্তদের হাতের লেখা চেক করাসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তদন্ত সম্পন্ন হয়। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে।’

ছাত্রত্ব বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস’ বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সনি, আইন বিভাগের ফাহিম আল মামুন বর্ণ, এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শোভন।

বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় একই প্রক্সিদাতার মাধ্যমে চার জনকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে তিন জন বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। তারা হলেন ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস’ বিভাগের মেহেদী হাসান সনি, আইন বিভাগের ফাহিম আল মামুন বর্ণ, এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের মো. শোভন। তবে একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলেও ভর্তি হননি।

নিউজের সত্যতা প্রমাণের জন্য ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানকে সভাপতি করা হয়। সদস্য করা হয় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান এবং সাবেক আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা। এ ছাড়াও সদস্য সচিব হিসেবে আছেন উপ-রেজিস্ট্রার এ.এইচ.এম. আসলাম হোসেন।

তৎকালীন ভর্তি উপকমিটি ও সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, ফাহিম আল মামুন বর্ণ ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮২.৬০ স্কোর করে ৪৬তম মেধাস্থান অর্জন করে ভর্তি হন আইন বিভাগে। তার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ২১১০২১৬১২৬ এবং রোল নাম্বার ৫৪১৩৭। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। এছাড়া তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

‘সি’ ইউনিটে মো. শোভন ৭৯.৭০ নম্বর পেয়ে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। তার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ২১১০৯২৯১১২ এবং রোল নাম্বার ৭১১০৬। তিনি রাজশাহীর মতিহার থানার বুধপাড়া গ্রামের মো. গোলাম সারওয়ারের ছেলে। এ ছাড়াও তিনি রাবি শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার ভাতিজা।

‘বি’ ইউনিটে মেহেদী হাসান সনি প্রক্সির মাধ্যমে ৭২.৬৫ নম্বর পেয়ে ১৬তম মেধাস্থান অর্জন করেন। তার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ২১১০৩৩৩১৭০ এবং রোল নাম্বার ৯৬১১৫। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত।

Link copied!