× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১২:২৬ এএম

৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর ছাড়া পেলেন চবির সেই শিক্ষক

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১২:২৬ এএম

হেনস্তার শিকার চবি শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ। ছবি : সংগৃহীত

হেনস্তার শিকার চবি শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতে আসা এক শিক্ষককে শারীরিক হেনস্তার মাধ্যমে প্রায় ৯ ঘণ্টা প্রক্টর ও সহ-উপাচার্যের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাত ৯টার দিকে অবরুদ্ধ শিক্ষকের মুক্তি দেওয়ার পর প্রক্টরের গাড়িতে তাকে ক্যাম্পাস থেকে বের করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সামনে চাকসুর চার নেতা ওই শিক্ষককে পরীক্ষা কেন্দ্রে থেকে তাড়া করেন। পরে টেনেহিঁচড়ে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এ সময় শিক্ষকের মুঠোফোনও তল্লাশি করা হয়।

হেনস্তার শিকার শিক্ষকের নাম হাসান মোহাম্মদ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যাম্পাসে আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী শিক্ষকদের রাজনৈতিক সংগঠন হলুদ দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১ মিনিট ৭ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষকের প্রতি শারীরিক সহিংসতা চালানো হচ্ছে। শিক্ষকের পেছন থেকে তাকে চেপে ধরছেন একাধিক ছাত্রনেতা। ভিডিওতে উপস্থিত ছিলেন চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি এবং নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান। শিক্ষকের চিৎকার ও অটোরিকশায় তোলার দৃশ্যও ভিডিওতে ধরা পড়ে।

প্রক্টর অফিসে অবরুদ্ধ অবস্থায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে হাসান মোহাম্মদ জানান, পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করার সময় শিক্ষক ও কর্মচারীরা আমাকে জানায় যে ‘পরিস্থিতি ভালো নয়’। এরপর আমি কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসি। তখন চাকসু নেতারা আমাকে দেখে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। আমি দৌঁড়ে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে চাইলে তারা ধরে টেনেহিঁচড়ে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

চাকসুর আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি শিক্ষকের হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসান মোহাম্মদ সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল।

হাটহাজারী থানার ওসি মো. জাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি। তবে চাকসুর নেতারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং প্রশাসন তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী জানান, শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ সাবেক সহকারী প্রক্টর এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া প্রক্টর অফিসে শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!