× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:৫৭ এএম

যৌন হয়রানির অভিযোগে রাবির সহযোগী অধ্যাপককে অব্যাহতি

রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:৫৭ এএম

অভিযুক্ত শিক্ষক ড. মো. দুলাল আলী মোল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

অভিযুক্ত শিক্ষক ড. মো. দুলাল আলী মোল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. দুলাল আলী মোল্লাহকে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সোমবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ড. মো. দুলাল আলী মোল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গত ৪ জানুয়ারি রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় একটি মামলা করেন এক নারী। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিয়ের কথাবার্তাও হয়েছিল।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ভুক্তভোগীকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যান। পরে তিনি এক নারীকে ‘বউ’ সাজিয়ে এবং আরও তিন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরে আসেন। এ সময় ভুক্তভোগীকে মারধরসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে বাসায় একা রেখে গ্যাস ও পানির সংযোগ বন্ধ করে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক কোনো ধরনের একাডেমিক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারবেন না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!