× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৪:৫০ এএম

৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেফতার ইমিসহ ২ জনের মুক্তি দাবি ১৫৬ নাগরিকের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৪:৫০ এএম

তাসনিম আফরোজ ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি : সংগৃহীত

তাসনিম আফরোজ ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের ১৫৬ জন নাগরিক। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংস্কারের দাবিও তুলেছেন তারা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লেখক, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার বিকেলে চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ মাইকে বাজানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং অন্যজন মাইক অপারেটর।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রিকশাযোগে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি দেন ডাকসু নির্বাচনে বাম সংগঠনগুলোর ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও তার সহযাত্রীরা।

কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে শাহবাগ থানার সামনে মারধরের শিকার হন ইমি ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। পরে পুলিশ তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচিত সরকার জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং মব সন্ত্রাস নির্মূলের প্রত্যয় ব্যক্ত করলেও বাস্তবে দেখা গেছে, ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত ৭ মার্চের ভাষণ প্রচারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বিবৃতিদাতারা প্রশ্ন তুলে বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করা কি সন্ত্রাসী কার্যক্রম? সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯ অনুযায়ী সন্ত্রাসী কার্যক্রম, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও সন্ত্রাসী সংগঠনের কার্যকলাপ প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে। পরে ২০১২ ও ২০১৩ সালের সংশোধনীতে সাইবার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম মোকাবিলার বিষয় যুক্ত করা হয়।

তাদের মতে, ইমি কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। বরং তিনি শিক্ষার্থীদের ও নারীদের অধিকার রক্ষাসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গ্রেফতার হওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৮ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন এবং আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে তার ফেসবুক প্রোফাইল পরিবর্তন করেছিলেন।

বিবৃতিদাতারা ইমি ও মামুনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানান।

ইমি ও মামুনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, মব সৃষ্টি করে যে সন্ত্রাসী কাণ্ড সংগঠিত হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জানাই। আমরা এও মনে করি, হাসিনার আমলের সন্ত্রাস দমন আইনটি সংস্কারের মাধ্যমে জবাবদিহিতামূলক করা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আছেন লেখক ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, লেখক ও অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস, লেখক ও অধ্যাপক আজফার হোসেন, অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন, কবি, অনুবাদক ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন, কথাসাহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফিরোজ আহমেদ, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট সাহেদ আলম, সংগীতশিল্পী ও অ্যাক্টিভিস্ট অরূপ রাহী, লেখক ও অধ্যাপক রায়হান রাইন, কবি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, লেখক, অনুবাদক ও শিক্ষক জিএইচ হাবীব, কবি ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক খালেদ হোসাইন, চলচ্চিত্র নির্মাতা নূরুল আলম আতিক, কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম, চলচ্চিত্র নির্মাতা খিজির হায়াত খান, কথাসাহিত্যিক ও সংগীতশিল্পী বর্ণালী সাহা, শিক্ষক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা, লেখক ও গবেষক টিনা নন্দী, সঙ্গীতশিল্পী কারিশমা সানু সভ্যতা, লেখক ও অনুবাদক গোলাম সারোয়ার, মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিন, কবি ও প্রাবন্ধিক আহমেদ স্বপন মাহমুদ, কবি ও প্রাবন্ধিক চঞ্চল আশরাফ, কথাসাহিত্যিক কাজী লাবণ্য, লেখক ও সংগঠক নাহিদ হাসান, চলচ্চিত্রকার খন্দকার সুমন, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মুরশিদ সালীন, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট রাহাত মুস্তাফিজ, কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েস, লেখক ও শিক্ষক নাহিদা নাহিদ, নির্মাতা ওয়াহিদ বিন সিরাজ, লেখক ও শিক্ষক তাইয়্যেবুন মিমি, অভিনয়শিল্পী নাঈমা তাসনিম, চলচ্চিত্রকর্মী সুজন আহমেদ, লেখক ও অধ্যাপক সিরাজ সালেকীন, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক অলাত এহ্সান, লেখক ও সম্পাদক ফরহাদ নাইয়া, লেখক ও অনুবাদক কামরুল আহসান, কবি ও গবেষক পলাশ করিম, শিল্প ইতিহাসবিদ ও পরিবেশ আন্দোলন সংগঠক আমিরুল রাজিব, অর্থনীতিবিদ ও কিউরেটর নাঈম উল হাসান, সাংবাদিক রাহাত আহমেদ, কবি ও প্রাবন্ধিক আদনান আলী, কবি ও প্রাবন্ধিক অব্যয় হাসান, লেখক ও সাংবাদিক ধ্রুব সাদিক, কবি রোমেল রহমান, লেখক-শিক্ষক হাসিব উল ইসলাম, কবি হোসেন রওশন, কবি মিসবাহ জামিল, কবি-প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক সৌভিক রেজা, কবি হাসান রনি, কবি ও অনুবাদক লায়লা ফারজানা, চলচ্চিত্র নির্মাতা মুহাম্মদ কাইউম, কবি রুদ্র অহম, কবি ও সাংবাদিক মোস্তাক আহমদ, কবি সোহেল রানা, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, লেখক ও প্রকৌশলী তানভীর সিরাজ অন্তু, কবি রণজিৎ দাশ, কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিন, অ্যাক্টিভিস্ট আলিয়া বেগম, সাংবাদিক রোকন-উজ-জামান, সংগঠক অলীক মৃ, সংগঠক নাইমুল ইসলাম নয়ন, লেখক ইমাম গাজ্জালি, লেখক ও সংগঠক সাদিক আলম, কথাসাহিত্যিক পিওনা আফরোজ, সাংবাদিক মোছাব্বের হোসেন, পরিবেশ সংগঠক আলমগীর কবির, ভাস্কর সৈয়দ মামুন রশিদ, ভাস্কর আয়েশা হান্নান ইরিন, চিত্রশিল্পী কানিজ অদিতি, ছাত্র আন্দোলন কর্মী ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী, কথাসাহিত্যিক জিয়া হাশান, লেখক ও সাংবাদিক মো মুক্তাদির রশীদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা ধ্রুব হাসান, কবি ও সাংবাদিক ইরাজ আহমেদ, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক সুব্রত শুভ্র, কবি ও সঙ্গীতশিল্পী ফারিয়া মতিন ইলা, চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজিব রাফি, লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী মারজিয়া প্রভা, চিত্রশিল্পী অনিন্দ্য নাহার হাবীব, লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী ফেরদৌস আরা রুমী, কবি অমৃতা ইশরাত, কবি অনুরুদ্ধ গোস্বামী, কবি কাজী দীন মুহম্মদ, অভিনয়শিল্পী ইমতিয়াজ বর্ষণ, লেখক ও অনুবাদক আসিফ কিশোর, কবি ও সাংবাদিক হাসান জামিল, কবি ও অধ্যাপক রায়হান শরীফ, ছাত্র রাজনীতিকর্মী সীমা আক্তার, ছাত্র নেতা লামিয়া আক্তার, কবি ও গীতিকার সোমেশ্বর অলি, কবি রনক জামান, সাংবাদিক নাসরিন আখতার, কবি দীপংকর মারডুক, কথাসাহিত্যিক নাহিদা আশরাফী, লেখক ও অনুবাদক গৌরাঙ্গ হালদার, চলচ্চিত্রনির্মাতা জায়েদ সিদ্দিকী, চলচ্চিত্রনির্মাতা শ্যামল শিশির, নাট্যনির্দেশক তৌফিকুল ইমন, কবি আহমেদ মওদুদ, লেখক ও অনুবাদক ইরফানুর রহমান রাফিন, কথাসাহিত্যিক পলি শাহীনা, কবি ও প্রাবন্ধিক নজরুল হায়াৎ, লেখক তুহিন চৌধুরী, কবি উপল বড়ুয়া, কবি জেনিস মাহমুন, কথাসাহিত্যিক আনিফ রুবেদ, লেখক ও সাংবাদিক মাসুদ রানা, কবি রোজেন হাসান, কবি বায়েজিদ বোস্তামী, কবি নাদিম মাহমুদ, লেখক ও অনুবাদক শামসুদ্দোহা তৌহীদ, লেখক ও অনুবাদক নাদিরা ভাবনা, কবি সালেহীন শিপ্রা, সাংবাদিক জহির রায়হান জুয়েল, লেখক নওরীন সুলতানা, লেখক ও সাংবাদিক হুমায়ুন শফিক, লেখক অনুবাদক আসিফ কিশোর, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংগঠক তারেক আহমেদ, সাংবাদিক ও শিক্ষক সুদীপ্ত সালাম, কবি ও সম্পাদক শওকত হোসেন, চলচ্চিত্র নির্মাতা মুন্তাকিম আল মাহিয়ান, সঙ্গীতশিল্পী ও শিক্ষক তানজিলুর রহমান সৌমিক, কবি লালন নূর, লেখক ও সাংবাদিক অলকানন্দা রায়, কথাসাহিত্যিক কাজী রাফি, লেখক ডা. মনিরুল ইসলাম, উন্নয়ন গবেষক ও মানবাধিকার কর্মী মনজুর রশীদ বিদ্যুৎ, কবি ও সাংবাদিক সাদাত সায়েম, কবি এহসান হাবিব, কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুননবী শান্ত, ড. আহমেদ আবিদ, চলচ্চিত্রকার তানহা জাফরিন, লেখক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া, কবি ইমরান আল হাদী, কবি ফখরুজ জামান, অ্যাক্টিভিস্ট বাকী বিল্লাহ, রাজনৈতিক কর্মী সুমি রেকসোনা, সাংস্কৃতিক সংগঠক বীথি ঘোষ, শিল্পী অমল আকাশ, গবেষক মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, শিল্পী সুমন হালদার, কবি সাম্য শাহ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মসিউর রহমান খান রিচার্ড, ছাত্র ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক অনুপম রায় রূপক, লেখক ও সাংবাদিক সাবিদিন ইব্রাহিম, সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তুহিন, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য রিয়াজ খান, কবি আতিদ তূর্য, লেখক ও শিক্ষক ইসমাইল সাদী, সংস্কৃতিকর্মী হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।

বিবৃতিটি সংবাদমাধ্যমে পাঠিয়েছেন আজফার হোসেন, জিএইচ হাবীব, নাহিদ হাসান এবং ধ্রুব সাদিক।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!