× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৭:০৭ এএম

ছাত্রদল-যুবদল নেতাকর্মীদের সিট বরাদ্দ, ক্ষোভে ফুঁসছে ঢাবি শিক্ষার্থীরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৭:০৭ এএম

৭ দিনের আল্টিমেটাম ও ক্লাস বর্জনের হুঁশিয়ারি দেন ডাকসু নেতারা। ছবি : সংগৃহীত

৭ দিনের আল্টিমেটাম ও ক্লাস বর্জনের হুঁশিয়ারি দেন ডাকসু নেতারা। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আবাসন নীতিমালা লঙ্ঘন করে ছাত্রদল ও যুবদলের অন্তত ৩৬ জন নেতাকর্মীকে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ হলের সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিতর্কের মুখে পড়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সদ্য ভর্তি হওয়া ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এখনো আবাসন সুবিধা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাদের দাবি, স্পষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনায় সিট বণ্টন করা হয়েছে, যা আবাসন সংকটকে আরও তীব্র করছে।

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্তদের তালিকায় ফার্মেসি, পদার্থবিজ্ঞান, আইএসআরটি, ইনফরমেশন সায়েন্স, প্রাণিবিদ্যা ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের নাম রয়েছে। তাদের সেশন ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত বিস্তৃত বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, কিছু শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন আগে শিক্ষাজীবন শেষ করার কথা থাকলেও বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এখনো হলে অবস্থান করছেন।

এ পরিস্থিতিকে অন্যায্য উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, যেখানে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সিট না পেয়ে দিশেহারা, সেখানে পুরোনো সেশনের শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আবাসন সংকট নিরসনের দাবিতে সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নেতাকর্মীরা রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। কর্মসূচিতে ‘সিট পায় আদু ভাই, নবীনরা রাস্তায় ঘুমায়’, ‘প্রথম বর্ষে বৈধ সিট দিতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিজয় একাত্তর হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ৩৬ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী সিট পেলেও প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখনো বঞ্চিত, যা প্রশাসনের ব্যর্থতা।
ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ অভিযোগ করে বলেন, উপাচার্যের আশ্বাস সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি আগামী সাত দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে ক্লাস বর্জনের হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিট বরাদ্দ সম্ভব না হলে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা বা উপবৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন ‘গণরুম’ ও ‘আদুভাই’ সংস্কৃতি পুনরায় চালুর চেষ্টা করছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে উপাচার্যের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত সিট বরাদ্দের সার্কুলার প্রকাশ, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিট তালিকা প্রকাশ এবং দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত ‘প্রবীণ’ শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ বাতিল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!