বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি হয়নি। তবে খুব শিগগিরই এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-সংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আগামী সপ্তাহে মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল ঈদ উৎসব ভাতার প্রস্তাব প্রস্তুত করবে। প্রস্তাবটি তৈরি হলে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব আজকেই (বৃহস্পতিবার) পাঠানো হচ্ছে। তবে ঈদ উৎসব ভাতা-সংক্রান্ত প্রস্তাবের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খোঁজ নেওয়া হয়নি, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা পাঠানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে এবার শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়া হবে কি না- সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
এদিকে ইএমআইএস সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদের আগেই উৎসব ভাতা দেওয়ার জন্য কাজ চলছে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শাখা ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাব অনুমোদনের পর অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তখনই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে উৎসব ভাতা পাঠানো হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতরের আগে ভাতা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা উৎসবের প্রস্তুতি নিতে পারেন স্বাচ্ছন্দ্যে।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসবভাতা সরকার নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী প্রদান করা হয় এবং তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রস্তাব তৈরি ও অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হলেই ভাতা প্রদানের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।




