১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর ৩০০ ফুট এলাকার ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ভাষণ দেন।
ভাষণে তিনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান, শহীদ ওসমান হাদি, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এসব ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। এই উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও।
গীতিকার ও সংগীতশিল্পী লুৎফর হাসান এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রশংসা করেন।
‘ঘুড়ি’ খ্যাত এই সংগীতশিল্পীর মতে, বক্তব্যে ছিল না প্রতিপক্ষের প্রতি তীব্র ঘৃণা বা অহেতুক আত্মপ্রচার; বরং ছিল দেশ গড়ার উদাত্ত আহ্বান এবং শহীদ হাদিসহ অন্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার স্মরণ।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, পুরো বক্তব্য শুনলাম। বাপের গীত নাই। বংশের গীত নাই। আমি আমি, আমার আমার বলা জাহির নাই। প্রতিপক্ষের প্রতি তীব্র ঘৃণা নাই। শুধু দেশ গড়ার উদাত্ত আহ্বান আছে। সাথে আছে হাদি এবং অন্য শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ। আজকের এই বক্তব্য ইতিবাচক স্বপ্নের ইঙ্গিত দেয়।
লুৎফর হাসান আরও উল্লেখ করেন, আজকের বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয়, এই দেশ কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীর নয়; দেশ একান্তই জনগণের।
তার পোস্টের শেষাংশে তিনি লিখেছেন, স্যালুট, প্রিয় তারেক রহমান।
এর আগে দেওয়া আরেকটি ফেসবুক পোস্টে লুৎফর হাসান লিখেছিলেন, যার ফেরা নিয়ে তাচ্ছিল্য করা হয়েছিল, তিনি ফিরেছেন; লক্ষ-কোটি মানুষের ভালোবাসা নিয়েই ফিরেছেন। আর যিনি ফেরার পথ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন, তিনি আজ অন্য দেশের উদ্বাস্তু।
তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যা দেশে গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।


