× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

বারবার পরকীয়ার গুঞ্জনে বলিউডের ‘চিচি’ গোবিন্দ

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। ছবি : সংগৃহীত

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। ছবি : সংগৃহীত

নব্বইয়ের দশকে একের পর এক হিট ছবিতে দর্শকের মন জয় করেছিলেন বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। ‘চিচি’ নামেই যিনি পরিচিত, সেই অভিনেতা ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীন যেমন আলোচনায় ছিলেন, তেমনই বয়স ষাট ছুঁইছুঁই হলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আজও শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। কারণ- বারবার পরকীয়ার গুঞ্জন।

১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে দীর্ঘ দিনের বান্ধবী সুনীতা অহুজাকে বিয়ে করেন গোবিন্দ। বলিপাড়ার বাইরে থাকলেও গোবিন্দের ক্যারিয়ার গড়তে নাকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুনীতার। তবে বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য টানাপোড়েনের গল্প।

বলিউডের অন্দরের গুঞ্জন অনুযায়ী, সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে রোম্যান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ের সময় অস্বস্তিতে ভুগতেন গোবিন্দ। সেই আড়ষ্টতা কাটাতেই নাকি বাস্তব জীবনের সম্পর্কে জড়ানোর পরামর্শও পেয়েছিলেন তিনি। সেই সূত্রেই সুনীতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে।

কিন্তু বিয়ের আগেই গোবিন্দের জীবনে নাকি প্রবেশ করেছিলেন অভিনেত্রী নীলম কোঠারি। একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নীলমের প্রেমে পড়েন গোবিন্দ- এমনটাই দাবি বলিপাড়ার একাংশের। এমনকি নীলমকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি বলেও শোনা যায়। বাগ্‌দান ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তও প্রায় চূড়ান্ত ছিল। শেষ মুহূর্তে সুনীতার সঙ্গে কথোপকথনের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন গোবিন্দ।

বিয়ের পরেও এক বছর নাকি নিজের বৈবাহিক পরিচয় গোপন রেখেছিলেন অভিনেতা। ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন- এই গোপনীয়তার কারণ নীলম। যদিও নীলম নিজে কোনো সম্পর্কের কথা বরাবরই অস্বীকার করেছেন।

নীলম অধ্যায়ের পর গোবিন্দের নাম জড়ায় বাঙালি অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হদ কর দি আপনে’ ছবির শুটিং থেকেই নাকি দু’জনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। বিদেশে শুটিং, মুম্বইয়ে একান্তে দেখা, দামি উপহার- সব মিলিয়ে সম্পর্কের গুঞ্জন তুঙ্গে ওঠে।

সবচেয়ে বিতর্ক তৈরি হয়, যখন এক সাংবাদিক হোটেলের ঘর থেকে রাতের পোশাকে গোবিন্দকে বেরোতে দেখেন বলে খবর ছড়ায়। সেই ঘরে রানি ছিলেন বলেও কানাঘুষো শোনা যায়। এরপর থেকেই রানিকে ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ আখ্যা দেওয়া হয়।

যদিও রানি মুখোপাধ্যায় এই সম্পর্কের কথা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন। তার দাবি, গোবিন্দ তার খুব ভাল বন্ধু, এর বেশি কিছু নয়।

স্বামীর পরকীয়ার খবরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সুনীতা অহুজা। শোনা যায়, একসময় সংসার ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ভুল বুঝতে পেরে সম্পর্ক থেকে সরে আসেন গোবিন্দ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আবারও স্বাভাবিক হয়।

Link copied!