× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে স্বামীরা কী কারণে খুশি হয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিয়ে মানেই কেবল ভালোবাসার সম্পর্ক নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দায়িত্ব, মান-অভিমান, ব্যস্ততা আর প্রতিদিনের ছোটখাটো টানাপোড়েন। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে একে অপরকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বেশি থাকলেও সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বদলাতে থাকে। তখন দেখা যায়, স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে অনেক স্বামী বাইরে থেকে মন খারাপের ভান করলেও ভেতরে ভেতরে খানিকটা স্বস্তি অনুভব করেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে ভালোবাসা কমে গেছে। বরং বিষয়টি অনেকটাই ব্যক্তিগত সময়, মানসিক চাপ ও অভ্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

নিজের মতো সময় কাটানোর সুযোগ

দীর্ঘদিন সংসার করার পর অনেকেরই মনে হয়, ব্যক্তিগত সময় যেন কমে গেছে। প্রতিদিনের নির্দিষ্ট রুটিন, সংসারের দায়িত্ব কিংবা ছোটখাটো হিসাব-নিকাশ মানুষকে ক্লান্ত করে তোলে। স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে অনেক স্বামী সেই সময়টাকে নিজের মতো কাটানোর সুযোগ হিসেবে দেখেন। রাত জেগে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, এলোমেলোভাবে সময় কাটানো এসব স্বাধীনতা তখন বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

নিয়ম-কানুন থেকে সাময়িক বিরতি

অনেক সংসারেই স্ত্রী স্বামীর জীবনযাপন, খাওয়া-দাওয়া বা দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়ে খেয়াল রাখেন। কখন ঘুমাবে, কী খাবে কিংবা জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো বিষয়েও নিয়ম মেনে চলতে বলেন। প্রতিদিন এসব শুনতে শুনতে স্বামীরা কখনো কখনো বিরক্ত হলেও, স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য দূরে গেলে সেই নিয়ন্ত্রণহীন জীবন প্রথমে বেশ আনন্দ দেয়। যদিও কিছুদিন পর সেই পরিচিত কথাগুলোই আবার মিস করতে শুরু করেন তারা।

বন্ধুদের সঙ্গে বাড়তি সময়

স্ত্রী বাড়িতে থাকলে অনেকেরই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কমে যায়। কিন্তু স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে বন্ধুমহলে যেন নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়। আড্ডা, চা খাওয়া কিংবা রাত জেগে গল্প সবকিছুতেই তখন বাড়তি স্বাধীনতার অনুভূতি কাজ করে। দায়িত্বের চাপ কিছুটা কমে যাওয়ায় নিজেদের জন্য সময় বের করতে পারেন তারা।

আনন্দের পরই আসে শূন্যতা

তবে এই স্বাধীনতার অনুভূতি সাধারণত বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কয়েকদিন পরই অনেক স্বামী বুঝতে পারেন, ঘরটা অস্বাভাবিক নীরব হয়ে গেছে। খাওয়ার সময় কেউ ডাকছে না, রাতে গল্প করার মানুষ নেই, এমনকি ছোটখাটো বকাঝকাও যেন অনুপস্থিত। তখন স্ত্রীর উপস্থিতির গুরুত্ব আরও বেশি করে টের পান তারা।

একজন বিবাহিত পুরুষ বলেন, স্ত্রী বাড়িতে না থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে নির্ভার সময় কাটানো যায়, বাইরে ঘোরাঘুরিও করা যায়। কিন্তু কয়েকদিন পরই ঘর ফাঁকা লাগতে শুরু করে।

আরেকজনের ভাষায়, দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করার ফলে মানুষ কখনো কখনো একটু ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খোঁজে। তবে সেই স্বাধীনতার মাঝেও প্রিয় মানুষের অভাব দ্রুতই অনুভূত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্কে সাময়িক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কের গুরুত্ব আরও বেশি বুঝতে সাহায্য করে। শুরুতে স্বাধীনতা উপভোগ করলেও শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই উপলব্ধি করেন সংসারের সবচেয়ে বড় অভ্যাস হয়ে ওঠে সেই মানুষটি, যাকে ছাড়া ঘর অসম্পূর্ণ মনে হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!