× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

সুস্থ হৃৎপিণ্ড, দীর্ঘ জীবন : হার্ট ভালো রাখার নির্দেশিকা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

হার্ট ভালো রাখার নির্দেশিকা। ছবি : সংগৃহীত

হার্ট ভালো রাখার নির্দেশিকা। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে অনিয়মিত জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে হৃদরোগ বা হার্টের সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে। তবে সামান্য সচেতনতা এবং জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে হার্টকে দীর্ঘকাল সুস্থ রাখা সম্ভব।

হৃৎপিণ্ড আমাদের শরীরের ইঞ্জিন। একে সচল ও সবল রাখতে হলে পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের ওপর গুরুত্ব দিতে হবেখাদ্যতালিকা, শারীরিক পরিশ্রম, মানসিক স্বাস্থ্য, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন।

১. সুষম ও হার্টবান্ধব ডায়েট
খাবার সরাসরি আমাদের ধমনির স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড : সামুদ্রিক মাছ, তিল, তিসি এবং আখরোট ধমনির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

আঁশযুক্ত খাবার : লাল চাল, লাল আটা ও প্রচুর সবুজ শাকসবজি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

লবণ ও চিনি নিয়ন্ত্রণ : অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপ বাড়ায় এবং অতিরিক্ত চিনি স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি করে, যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।

ট্রান্স-ফ্যাট বর্জন : ডালডা, ভাজা পোড়া এবং প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন।

২. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম
বসে থাকা জীবনযাপন হার্টের সবচেয়ে বড় শত্রু।

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন।

লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার অভ্যাস করুন। এটি হার্টের পেশিকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

৩. ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত ওজন হার্টের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

BMI নিয়ন্ত্রণ : আপনার শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন সঠিক আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।

নিয়মিত চেকআপ : উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) এবং উচ্চ কোলেস্টেরলকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর এগুলো পরীক্ষা করানো জরুরি।

৪. মানসিক চাপ ও ঘুম
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

মানসিক প্রশান্তি : যোগব্যায়াম (Yoga) বা ধ্যানের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম : দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম হার্টের টিস্যু মেরামত করতে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৫. ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ
ধূমপান বর্জন : হৃদরোগের প্রধান কারণগুলোর একটি হলো ধূমপান। এটি ধমনির দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়।

অ্যালকোহল পরিহার : অতিরিক্ত মদ্যপান হার্ট ফেইলিউর এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে।

হার্টের যত্ন নেওয়া মানে হলো নিজের জীবনের যত্ন নেওয়া। এটি একদিনের কোনো বিষয় নয়, বরং প্রতিদিনের অভ্যাসের ফল। উপরে উল্লিখিত নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি একটি সুস্থ ও প্রাণবন্ত হৃৎপিণ্ডের অধিকারী হতে পারেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!