× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

নিপাহ ভাইরাস কী

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নতুন করে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে রাজ্যে ৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সও রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, আক্রান্তদের কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে প্রায় ১০০ জনকে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নিপাহ একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস, যা মূলত বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। এটি একটি ‘জুনোটিক’ ভাইরাস, অর্থাৎ এটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। এরপর আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে অন্য সুস্থ মানুষও এতে সংক্রমিত হতে পারেন। বর্তমানে এই ভাইরাসের কোনো কার্যকর টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, নিপাহ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

প্রাথমিক লক্ষণ: হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি এবং শ্বাসকষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ার মতো উপসর্গও দেখা দেয়।

মারাত্মক পর্যায়: ভাইরাসের সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ হলো মস্তিষ্কের প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস। এর ফলে রোগী বিভ্রান্তি বোধ করেন, খিঁচুনি হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন।

নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার অত্যন্ত বেশি—আক্রান্তদের প্রায় ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ মৃত্যুবরণ করেন। যারা বেঁচে যান তাদের মধ্যেও পরবর্তীকালে খিঁচুনি বা ব্যক্তিত্ব পরিবর্তনের মতো দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কীভাবে ছড়ায়?

১. বাদুড় থেকে মানুষ: মূলত ফলখেকো বাদুড়ের লালা, মূত্র বা বিষ্ঠা লেগে থাকা ফল বা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে এই ভাইরাস ছড়ায়।

২. প্রাণী থেকে মানুষ: সংক্রমিত শুকর বা অন্যান্য গবাদি পশুর সংস্পর্শে এলে।

৩. মানুষ থেকে মানুষ: আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে নির্গত তরল বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় ২০০১ সাল থেকে প্রায় প্রতি বছর এবং ভারতের কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গে এর আগে বেশ কয়েকবার এর প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!