ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মামলা থেকে ট্রান্সকমের সিমিন রহমানসহ ৬ জনকে অব্যাহতি

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান। ছবি - সংগৃহীত

ভুয়া স্বাক্ষর ও স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সিইও সিমিন রহমান ও তার মা শাহনাজ রহমানসহ ৬ আসামিকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। 

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

আদালত বলেন, অভিযোগ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপাদান পাওয়া যায়নি।

অব্যাহতি পাওয়া অন্যরা হলেন- ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক কামরুল হাসান, মোসাদ্দেক, আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও সামসুজ্জামান পাটোয়ারী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এদিন জামিনে থাকা আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এবং বাদীপক্ষে আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।

অপরদিকে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন মিয়া, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ঢাকা বারের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, সিমিন ও তার সহযোগীরা জাল দলিল ব্যবহার করে তার বাবা লতিফুর রহমানের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অবৈধভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন।

নথিতে আরও বলা হয়, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মৃত্যুর সময় একাধিক ব্যাংকে এফডিআরে ১০০ কোটি টাকা রেখে গিয়েছিলেন।

বাদী তার মা ও বোন সিমিনের বিরুদ্ধে অসমভাবে এফডিআর বণ্টনের অভিযোগ করেছেন।

বাকিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতে সহায়তা করার অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে জানানো হয়েছিল তার পিতা তাকে ৪ হাজার ২৭০টি শেয়ার, তার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে ৪ হাজার ২৭০টি শেয়ার এবং তার মাকে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তান্তর করেছেন।

কিন্তু বাদী কখনোই হস্তান্তর দলিলে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি করেছেন। তার বাবাও জীবিতাবস্থায় কখনও হস্তান্তর দলিলে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি করেছেন বাদী।

বাদী শাযরেহ হক অভিযোগ করেন, আসামিরা এসব নথি জাল করেছেন।