× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ০৬:৪৯ পিএম

আপিল বিভাগ

ড. ইউনূসের ৫ মামলা বাতিলে আইনি দুর্বলতা পাওয়া যায়নি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ০৬:৪৯ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে করা পাঁচ মামলার কার্যক্রম বাতিলে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে কোনো আইনি দুর্বলতা এবং হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

শনিবার  (১১ জানুয়ারি) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান আদালতের আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ‘লিভ টু আপিল’ খারিজ করে আদেশ দেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ। ওই পূর্ণাঙ্গ আদেশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

আপিল বিভাগের এই আদেশে বলা হয়েছে যে, হাইকোর্টের রায় ও আদেশে কোনো আইনি দুর্বলতা এবং আইনিভাবে হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সে অনুসারে লিভ টু আপিলগুলো (আপিলের অনুমতি চেয়ে করা আবেদন) খারিজ করা হলো।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে যখন শ্রম আদালতে পৃথক পাঁচটি মামলা হয়, তখন তিনি গ্রামীণ টেলিকমিউনিকেশন্সের চেয়ারম্যান ছিলেন। প্রস্তাবিত ট্রেড ইউনিয়ন ঘিরে কর্মীর চাকরিচ্যুতির অভিযোগ তুলে ২০১৯ সালে মামলাগুলো করা হয়। সেই মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ২০২০ সালে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। সে সব রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে মামলাগুলোর কার্যক্রম বাতিলের রায় দেন। হাইকোর্টের সে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক পাঁচটি ‘লিভ টু আপিল’ করে। শুনানি শেষে সেই লিভ টু আপিলগুলো খারিজ করে গত ৮ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান খান শুনানি করেন।

আরবি/জেআই

Link copied!