× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

সুস্থ থাকতে বেছে নিন সঠিক ভোজ্যতেল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

সুস্থ থাকতে বেছে নিন সঠিক ভোজ্যতেল। ছবি : সংগৃহীত

সুস্থ থাকতে বেছে নিন সঠিক ভোজ্যতেল। ছবি : সংগৃহীত

 

সুস্বাদু খাবার তৈরির প্রধান উপকরণ ভোজ্যতেল। কিন্তু আপনি যে তেলটি ব্যবহার করছেন, তা আপনার হৃদপিণ্ড বা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ? বাজারে সয়াবিন, সরিষা, অলিভ অয়েল কিংবা রাইস ব্র্যান, নানা ধরনের তেলের ভিড়ে সঠিকটি বেছে নেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তেলের পুষ্টিগুণ এবং এর ‘স্মোক পয়েন্ট’ (যে তাপমাত্রায় তেল পুড়তে শুরু করে) বিবেচনা করে আপনার রান্নাঘরের জন্য সেরা তেলটি বেছে নেওয়ার গাইডলাইন থাকছে আজকের প্রতিবেদনে।

রান্নাঘরে স্বাস্থ্য সচেতনতার শুরুটা হয় ভোজ্যতেল বাছাইয়ের মাধ্যমে। বাজারে হরেক রকমের তেল থাকায় অনেক সময় আমরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি কোন তেলটি শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।

১. সরিষার তেল: বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্য
ঘানি ভাঙা খাঁটি সরিষার তেল আমাদের হার্টের জন্য বেশ উপকারী। এতে রয়েছে ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর উচ্চ স্মোক পয়েন্টের কারণে ভাজাভুজি বা কড়া রান্নার জন্য এটি আদর্শ। তবে খেয়াল রাখতে হবে তেলটি যেন খাঁটি ও রাসায়নিক মুক্ত হয়।

২. অলিভ অয়েল: আধুনিক স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি
স্বাস্থ্যসচেতনদের প্রথম পছন্দ অলিভ অয়েল। এতে থাকা মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখবেন, ‘এক্সট্রা ভার্জিন’ অলিভ অয়েল সালাদ ড্রেসিং বা হালকা ভাজায় ভালো। কড়া আঁচে রান্নার জন্য ‘রিফাইনড’ বা ‘পোমাস’ অলিভ অয়েল ব্যবহার করা উচিত।

৩. রাইস ব্র্যান অয়েল: পুষ্টির নতুন দিশা
ধানের কুঁড়া থেকে তৈরি এই তেল বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। এতে রয়েছে ‘ওরিজানল’ নামক উপাদান, যা হার্টের ব্লকেজ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর স্মোক পয়েন্ট বেশি হওয়ায় এটি দিয়ে ডিপ ফ্রাই বা সাধারণ তরকারি, সবই রান্না করা যায়।

৪. নারকেল তেল: কেবল চুলের জন্য নয়
দক্ষিণ এশিয়ায় রান্নায় নারকেল তেলের ব্যবহার দীর্ঘদিনের। এতে থাকা মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড দ্রুত শক্তি জোগাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যারা কিটো ডায়েট করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর।

৫. সয়াবিন ও সানফ্লাওয়ার তেল: সহজলভ্য অপশন
আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় রিফাইনড সয়াবিন তেল। এতে ভিটামিন ই এবং ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকলেও অতিরিক্ত রিফাইনিং প্রক্রিয়ার কারণে এর পুষ্টিগুণ অনেক সময় কমে যায়। বিকল্প হিসেবে সানফ্লাওয়ার বা সূর্যমুখী তেল হৃদরোগীদের জন্য কিছুটা ভালো হতে পারে।

সতর্কতা:

তেল বদলে বদলে ব্যবহার করুন: সবসময় এক ধরনের তেল না খেয়ে বিভিন্ন সময় সরিষা, রাইস ব্র্যান বা অলিভ অয়েল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।

পোড়া তেল বর্জন: একবার ভাজা তেল বারবার গরম করে ব্যবহার করবেন না। এটি শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ: তেল যতই ভালো হোক, অতিরিক্ত ব্যবহার লিভার ও ওজনের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই রান্নায় তেলের পরিমাণ সবসময় সীমিত রাখুন।

আপনার রান্নার ধরণ এবং শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে তেল নির্বাচন করুন। হার্টের সমস্যা থাকলে রাইস ব্র্যান বা অলিভ অয়েল এবং সাধারণ সুস্বাদু রান্নার জন্য সরিষার তেল হতে পারে সেরা পছন্দ।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!