× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৯, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

ডিম খাওয়ার সেরা উপায় কোনটি—সেদ্ধ, পোচ না ভাজা?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৯, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

এআই দিয়ে তৈরি

এআই দিয়ে তৈরি

সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দ্রুত তৈরি রাতের খাবার ডিম প্রায় সবারই পছন্দের তালিকায় থাকে। কেউ নরম পোচ খেতে ভালোবাসেন, কেউ আবার মুচমুচে ভাজা ডিম ছাড়া খাবারই কল্পনা করতে পারেন না। অন্যদিকে অনেকেই মনে করেন সেদ্ধ ডিমই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। তবে রান্নার ধরন বদলালে কি সত্যিই ডিমের পুষ্টিগুণেও পরিবর্তন আসে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের মৌলিক পুষ্টিগুণ প্রায় একই থাকে, তবে রান্নার পদ্ধতির কারণে এর ক্যালরি, ফ্যাট ও স্বাস্থ্যগত প্রভাব কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

ডিমে যে পুষ্টিগুণ থাকে

একটি মাঝারি আকারের ডিমে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, আয়রন, সেলেনিয়াম এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পুষ্টিবিদরা ডিমকে ‘নিউট্রিয়েন্ট ডেন্স’ খাবার হিসেবে উল্লেখ করেন, কারণ কম ক্যালরিতে এটি শরীরকে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেয়। পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য উপকারী বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।

সেদ্ধ ডিম কেন বেশি স্বাস্থ্যকর

স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে সেদ্ধ ডিম সবচেয়ে জনপ্রিয়। কারণ এটি রান্না করতে বাড়তি তেল বা মাখনের প্রয়োজন হয় না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি বা ফ্যাট যোগ হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

সেদ্ধ ডিম দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং এতে থাকা প্রোটিনও ভালোভাবে অক্ষুণ্ণ থাকে। এছাড়া এটি সহজে বহন ও সংরক্ষণ করা যায়। যারা ওজন কমাতে চান বা হৃদরোগের ঝুঁকি কম রাখতে চান, তাদের জন্য সেদ্ধ ডিম ভালো বিকল্প হতে পারে।

তবে ডিম বেশি সময় ধরে সিদ্ধ করলে কুসুমের চারপাশে সবুজাভ স্তর দেখা যেতে পারে। এটি আয়রন ও সালফারের বিক্রিয়ার কারণে হয়। যদিও এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় না, স্বাদে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

পোচ ডিম কতটা উপকারী

পোচ ডিমও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ এতে অতিরিক্ত তেল লাগে না এবং কম তাপে রান্না হওয়ায় কিছু সংবেদনশীল পুষ্টি ভালোভাবে বজায় থাকতে পারে।

নরম কুসুমের কারণে পোচ ডিমের স্বাদ অনেকের কাছেই বেশি আকর্ষণীয়। এতে প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাটও ভালোভাবে থাকে, পাশাপাশি ক্যালরিও তুলনামূলক কম থাকে।

তবে কুসুম পুরোপুরি রান্না না হলে ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে। তাই শিশু, গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সম্পূর্ণ সিদ্ধ ডিমকে বেশি নিরাপদ মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ভাজা ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা

ভাজা ডিম সুস্বাদু হলেও স্বাস্থ্যগত দিক থেকে কিছুটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন। মূলত অতিরিক্ত তেল, বাটার বা প্রক্রিয়াজাত উপাদান ব্যবহারের কারণেই এর ক্যালরি ও ফ্যাট বেড়ে যায়।

অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে কিছু পুষ্টিগুণও কমে যেতে পারে। এছাড়া নিয়মিত বেশি তেলে ভাজা খাবার খাওয়া হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে অল্প তেলে, বিশেষ করে অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করলে ভাজা ডিমও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

তাহলে সবচেয়ে ভালো কোনটি?

পুষ্টিবিদদের মতে, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিক থেকে সেদ্ধ ডিম সবচেয়ে ভালো বিকল্প। পোচ ডিমও বেশ স্বাস্থ্যকর এবং স্বাদে সমৃদ্ধ। অন্যদিকে বেশি তেলে ভাজা ডিম তুলনামূলক কম স্বাস্থ্যকর।

তবে কোন ধরনের ডিম একজনের জন্য উপযোগী হবে, তা নির্ভর করে বয়স, শারীরিক অবস্থা, ওজন, কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাসের ওপর।

তাই ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি সেদ্ধ বা হালকা পোচ ডিম শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি ও তৃপ্তি দিতে পারে। আর পছন্দের ভাজা ডিমও খাওয়া যাবে, তবে তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!