× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

হামাসের নতুন প্রধান খলিল আল-হায়া

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

হামাসের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খলিল আল-হায়া। ছবি : সংগৃহীত

হামাসের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খলিল আল-হায়া। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগঠন হামাস তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খলিল আল-হায়াকে নির্বাচিত করেছে। সোমবার (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খলিল আল-হায়া ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সিনওয়ার নিহত হন। ওই সময় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র পর্যায়ে ছিল।

গাজা থেকে নির্বাসিত হামাসের নেতা এবং সংগঠনটির শীর্ষ আলোচকদের একজন হিসেবে পরিচিত খলিল আল-হায়া, সিনওয়ার ও ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইরানে নিহত হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়ার মৃত্যুর পর সংগঠনটির নেতৃত্ব কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠেন।

খলিল আল-হায়াকে হামাসের নির্বাসিত রাজনৈতিক কার্যালয়ের প্রধান খালেদ মেশালের তুলনায় আরও কট্টরপন্থী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি হামলায় হামাসের যেসব শীর্ষ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে খলিল আল-হায়াও ছিলেন। ওই সময় তিনি দোহায় অবস্থান করছিলেন।

১৯৬০ সালে গাজা উপত্যকায় জন্মগ্রহণকারী খলিল আল-হায়া ১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।

গত বছর ইসমাইল হানিয়া, ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং হামাসের সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির ভেতরে খলিল আল-হায়ার রাজনৈতিক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায়।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর হামাস বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলার পর শুরু হওয়া দীর্ঘ যুদ্ধে সংগঠনটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের চাপের মধ্যেও পড়তে হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির পর গাজায় সংঘর্ষের তীব্রতা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়েছে।

হামাস ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ইসরায়েল এখনও গাজার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল বলছে, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর যেসব সদস্য ভবিষ্যতে হুমকি তৈরি করতে পারে, তাদের লক্ষ্য করেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

খলিল আল-হায়ার নির্বাচনের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

Link copied!