ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জন্য তার নিজ আকাঙ্ক্ষিত ‘খুবই সাধারণ কফিন’ প্রস্তুত করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করা এই নেতা জীবদ্দশায় কফিন সংক্রান্ত যে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, শরিফ ওসমান হাদি মৃত্যুর আগে বলেছিলেন, হারাম খাইয়া আমি এতো মোটাতাজা হই নাই, যাতে আমার স্পেশাল কফিন লাগবে। খুবই সাধারণ একটা কফিনে হালাল রক্তের হাসিমুখে আমি আল্লাহর কাছে হাজির হবো। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক এক স্ট্যাটাসে বলা হয়, মৃত্যুর আগে শরিফ ওসমান হাদি বলেছিলেন, ‘হারাম খাইয়া আমি এতো মোটাতাজা হই নাই, যাতে আমার স্পেশাল কফিন লাগবে! খুবই সাধারণ একটা কফিনে হালাল রক্তের হাসিমুখে আমি আমার আল্লাহর কাছে হাজির হবো।’ তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এর আগে সংগঠনটি জানায়, আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় আনা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর ত্যাগ করার কথা রয়েছে মরদেহবাহী ফ্লাইটটির। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এর সম্ভাব্য অবতরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিটে।
তারও আগে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ মরদেহ দেশে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানো হচ্ছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামীকাল শনিবার তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
শরিফ ওসমান হাদির আকাঙ্ক্ষিত ‘খুবই সাধারণ একটা কফিন’ প্রস্তুতের মধ্য দিয়ে তার জীবনদর্শন ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মন্তব্য করছেন তার সহকর্মী ও অনুসারীরা।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন