× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৮:৪৭ পিএম

হাদি হত্যাকাণ্ড : ফয়সালসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার ‘লেনদেন’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৮:৪৭ পিএম

ফয়সালসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংকে ১২৭ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। ছবি- সংগৃহীত

ফয়সালসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংকে ১২৭ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। ছবি- সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক লেনদেন বিশ্লেষণে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। এই তথ্যের ভিত্তিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পৃথক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে সংস্থা।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু তালেব এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ওসমান হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল করিম এখনো গ্রেপ্তার না হলেও তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের ব্যাংক হিসাব ও চেকবই বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট প্রায় ২১৮ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য রয়েছে, যার মধ্যে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেন ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব লেনদেন মানিলন্ডারিং, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবু তালেব আরও জানান, সিআইডি ইতোমধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত ও সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডের অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহে কোনো শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল কি না তা উদঘাটনে একাধিক টিম তদন্ত করছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘গ্রেপ্তার অভিযানের সময় উদ্ধার করা চেকবই ও ব্যাংক হিসাব থেকে আমরা শুরুতেই অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছি। আমাদের বিশ্লেষণ চলছে, এবং প্রাথমিকভাবে যা বেরিয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রসঙ্গত, ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের কালফার্ট এলাকায় হাদিকে অটোরিকশায় যাওয়ার সময় দুইজন মোটরসাইকেলে করে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গুলি করা হয়েছিল। হামলাকারী হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার সঙ্গে সহযোগিতা করেছিল আলমগীর কবির। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে, এবং তদন্ত এখনও চলছে।

সিআইডি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং পুরো অপরাধচক্র উন্মোচনের জন্য ব্যাপক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগী ও আর্থিক উৎস চিহ্নিত করার কাজও জোরদার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব জানান, ‘আমরা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট, অর্থায়ন ও সহযোগিতাকারীদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করছি। যেকোনো ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রমাণ পেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Link copied!