× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৬:৫১ পিএম

কখনোই বন্ধ করা যাবে না ইন্টারনেট, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৬:৫১ পিএম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি- সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি- সংগৃহীত

দেশে ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে না। এ সংক্রান্ত ধারা যুক্ত করে সরকার চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন অধ্যাদেশে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) বিলুপ্ত করে তার স্থলে সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট (সিআইএস) নামে নতুন সংস্থা গঠন করা হবে। সংস্থাটি আধা বিচারিক কাউন্সিলের অনুমোদন সাপেক্ষে আড়িপাতার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, সিম বা ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে নাগরিকদের নজরদারি বা অযথা হয়রানি করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ হবে।

এছাড়া, ‘স্পিচ অফেন্স’-সংক্রান্ত নিবর্তনমূলক ধারা পরিবর্তন করে কেবল সহিংসতার আহ্বানকে অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ সেবার ক্ষেত্রে আপিল ও সালিস বিষয়ক ধারাও নতুন অধ্যাদেশে যুক্ত হয়েছে।

খসড়ার সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধন কাঠামো থেকে বেরিয়ে বিটিআরসি-এর স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতা ও কার্যপরিধির ভারসাম্য স্থাপন করা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য ইনডিপেনডেন্ট স্টাডি করা হবে, আর অন্যান্য লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষমতা পুনরায় বিটিআরসির কাছে ফিরে এসেছে।

তাছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে একটি জবাবদিহি কমিটি থাকবে। বিটিআরসিকে প্রতি চার মাসে গণশুনানি আয়োজন করতে হবে এবং ফলোআপ তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

Link copied!