× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

রামগড়ে পাহাড় কাটার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ নৌপরিবহন উপদেষ্টার

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন। ফাইল ছবি

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন। ফাইল ছবি

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরের জমি ভরাটে পরিবেশ ধ্বংস করে নির্বিচারে পাহাড় কাটার অভিযোগে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরের জমিভরাটে পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কাটা হচ্ছে—এমন অভিযোগ সংক্রান্ত একটি সংবাদ একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নৌপরিবহন উপদেষ্টার দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাৎক্ষণিকভাবে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।

এ বিষয়ে ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘দেশের পরিবেশ, প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। পাহাড় কাটা বা অবৈধভাবে জমি ভরাটের মতো কর্মকাণ্ড যদি ঘটে থাকে, তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, খাগড়াছড়ির রামগড়ে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নির্মিত স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের ভূ-অর্থনৈতিক দিক থেকে কতটা গুরুত্বপূর্ণ—সে বিষয়ে পূর্বেই পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই স্থলবন্দর প্রকল্পে বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতির বিষয়টি পুনঃনিরীক্ষার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।

গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত সম্পন্ন করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Link copied!