× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

মার্কিন ভিসা বন্ডে পতিত সরকারের দায় দেখছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পুরোনো ছবি

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পুরোনো ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। এই পরিস্থিতির জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দায় দেখছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণের তালিকায় বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন, সে কারণেই ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশের নাম এসেছে। দেশটির এমন সিদ্ধান্তের দায় অন্তর্বর্তী সরকার নেবে না।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং ইমিগ্রেশনে যাদের সমস্যা আছে তাদের সবার জন্য। এটি দুঃখজনক ও কষ্টদায়ক হলেও অস্বাভাবিক নয়। বন্ডের তালিকায় নাম ওঠার পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের দায় রয়েছে—তারা সঠিক নীতিনির্ধারণ করতে পারেনি। বর্তমান সরকার এটি সমাধানের চেষ্টা করবে।’

ভিসা বন্ড কী? ভিসা বন্ড হলো এক ধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এমন জামানত নিয়ে থাকে, যাতে তারা ভিসার শর্ত—বিশেষ করে থাকার সময়সীমা যথাযথভাবে মেনে চলেন।

গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দিতে হবে। প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসেবে ১৫ হাজার ডলারে বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় মোট ২৫টি দেশ রয়েছে। আগে এই তালিকায় ৩৮টি দেশ থাকলেও বর্তমানে তা কমিয়ে আনা হয়েছে। মূলত আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এতে অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই নীতি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারী কোনো ব্যক্তি যদি বি১/বি২ (ট্যুরিস্ট/বিজনেস) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তবে তাকে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার বন্ড জমা দিতে হতে পারে। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় এই বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম Pay.gov-এর মাধ্যমে এই বন্ডের শর্তে সম্মতি জানাতে হবে।

Link copied!