× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি। ছবি- সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি। ছবি- সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা ও সাধারণ জনগণকে আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। 

গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে।

মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তির বিধান

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মামলা বা চলমান আইনি কার্যধারা থাকলে তা পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করা হবে। এ সঙ্গে ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত নতুন কোনো মামলা দায়েরও করা যাবে না।

রাজনৈতিক প্রতিরোধ ও অপরাধমূলক অপব্যবহারের পার্থক্য

অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ এবং ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’—দুইটির মধ্যে পার্থক্য সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে।

যদি কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকে, তবে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করতে হবে। কমিশন তদন্ত করে দেখবে, সংশ্লিষ্ট কার্যটি ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ ছিল কি না। যদি তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়, তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো মামলা চলবে না। কমিশন চাইলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সরকারকে আদেশ দিতে পারবে।

অন্যদিকে, যদি কমিশনের তদন্তে প্রমাণিত হয় যে হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে বা অপরাধমূলক অপব্যবহার হিসেবে সংঘটিত হয়েছে, তবে কমিশন সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আদালত সেই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদন সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করবে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় জারি এবং প্রভাব

সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ জারি করেছেন। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যেহেতু বর্তমানে সংসদ ভেঙে গেছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন, তাই এই আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং অন্য যেকোনো আইনের ওপর প্রাধান্য রাখবে। এভাবে, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের জন্য আইনগত সুরক্ষা ও দায়মুক্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

Link copied!