সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোনো ধরনের কারচুপি বা টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, দিন শেষে ভোটার উপস্থিতির হার সন্তোষজনক হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান ও পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রথম এক ঘণ্টায় পরিদর্শিত কেন্দ্রে প্রায় ১৫০ জন ভোট দিয়েছেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও ভোটে বাধা দেওয়ার কোনো অভিযোগ আসেনি। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভোটার উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। শহর এলাকার ভোটাররা সাধারণত কিছুটা দেরিতে আসেন, তবে গ্রামাঞ্চলের অনেক কেন্দ্রে সকাল থেকেই উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কিছু কেন্দ্রে নারী ভোটারের উপস্থিতি পুরুষের তুলনায় বেশি, যা উৎসাহব্যঞ্জক।
ভোটার তালিকায় নাম না থাকা বা কারিগরি সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, হাজারে একটি টেকনিক্যাল গ্লিচ হতে পারে। মাইগ্রেশন-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো ডাবল চেক করার সুযোগ রয়েছে।
টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে ভোট কেনার চেষ্টা করলে কেউ সফল হবে না। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেনের সময় অভিযুক্তদের আটক হওয়া ভালো লক্ষণ হিসেবে তিনি অভিহিত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এটি বিশ্বব্যাপী একটি চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কমিশন ভুল তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে, তবে রাজনৈতিক অধিকার ও জনউদ্দীপনা বিবেচনায় কোনো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। তিনি প্রধান গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
পরিবারের সঙ্গে ভোট দিতে এসে এই কমিশনার মন্তব্য করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ভোট গ্রহণ সুশৃঙ্খলভাবে চলছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন