× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

বয়স তাদের দমাতে পারেনি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

বৃদ্ধরাও এসেছেন ভোটকেন্দ্রে। ছবি : সংগৃহীত

বৃদ্ধরাও এসেছেন ভোটকেন্দ্রে। ছবি : সংগৃহীত

শারীরিক সক্ষমতা কমে গেছে, বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে শরীর। অন্যের সাহায্য ছাড়া এক পা ফেলাও প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এই বয়সেও ভোটাধিকার প্রয়োগের অদম্য ইচ্ছাকে তারা দমাতে পারেননি। তাই ভোরের আলো ফুটতেই স্বজনদের হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়েছেন অনেক বয়োজ্যেষ্ঠ ভোটার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সেই লাইনে বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শতবর্ষী প্রবীণদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

কুষ্টিয়ার সদর থানার মিলপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন ১১০ বছর বয়সি মনির মিয়া। পরিবারের লোকজনের সহায়তায় লাঠিতে ভর দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। তার এই আগ্রহ দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন।

রাজধানীর শ্যামপুরের বাসিন্দা ৯০ বছর বয়সি আনোয়ারা বেগম বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ। কিন্তু শরীর খারাপের অজুহাতে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেননি তিনি। সকাল পৌনে ৯টার দিকে স্থানীয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের মূল্যবান ভোটটি প্রদান করেন।

আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘গতবার ভোট দিতে পারিনি, তাই এবার সবার আগে কেন্দ্রে এসেছি।’ বয়স ও অসুস্থতার মাঝেও ভোটকেন্দ্রে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন যোগ্য নেতৃত্ব চাই, যারা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ভোট না দিলে তো তা সম্ভব নয়।’

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খিলগাঁও মডেল কলেজ কেন্দ্রে দেখা মেলে শতবর্ষী জমিরন নেসার। বয়সের কারণে শরীর দুর্বল হলেও তার ইচ্ছাশক্তি ছিল প্রবল। মেয়ে ও নাতিকে সঙ্গে নিয়ে সকালেই ভোট দিতে যান তিনি। জমিরন বলেন, ‘ভোট দিতে পেরে আমার খুব আনন্দ লাগছে। এই বয়সেও আল্লাহ যে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত এনেছেন, তার জন্য শুকরিয়া।’

সকাল ৯টার দিকে সীতাকুন্ড উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা সারি। এমন সময় দেখা গেল শতবর্ষী মেহেরুন্নিসাকে। নিজে হাঁটতে না পারায় দুই নাতির কাঁধে চড়ে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তিনি জানান, নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিজ হাতে ভোট দিতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবীণ ভোটারদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তরুণ ভোটারদেরও ভীষণভাবে উৎসাহিত করছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!