× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

কোনো ব্যক্তি-গোষ্ঠীর জন্য নয়, বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে : অর্থমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট আর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য প্রণয়ন করা হবে না। ভবিষ্যতের বাজেট হবে কেবল জনগণের কল্যাণে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হয়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে তিনি এ কথা বলেন। বেলা ১১টায় তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ পৌঁছান। সেখানে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। পরে নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে আমীর খসরু বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত সময়ে ঋণ নেওয়া হলেও তা ভালো প্রকল্পে ব্যয় হয়নি। ফলে বর্তমান সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়ে গেছে।

শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, শেয়ারবাজার নিয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়িত হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। তিনি আরও বলেন, এখন বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামের কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। এখানে বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, আমাদের সে পথে এগোতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই চট্টগ্রাম প্রকৃত অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা ছাড়া বিকল্প নেই।

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভালো লাগছে। আমরা আবার গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। এখন নির্বাচিত সংসদ ও সরকার রয়েছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন তিনি। বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!