ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

একনেকের সভাপতি তারেক রহমান, বিকল্প সভাপতি মির্জা ফখরুল

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরক। ছবি- সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চেয়ারম্যান করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ত্বরান্বিত করা, প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে একনেক পুনর্গঠন করা হয়েছে।

একনেকের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে। সরকারের উন্নয়ন বাজেটের আওতায় নেওয়া বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহের চূড়ান্ত অনুমোদন একনেক সভার মাধ্যমেই দেওয়া হয়। ফলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বড় প্রকল্পসহ বিভিন্ন জাতীয় অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়নে একনেকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রী।

দেশের বড় অঙ্কের সরকারি ক্রয়, অবকাঠামো নির্মাণ, যন্ত্রপাতি আমদানি বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহসংক্রান্ত প্রস্তাব এই কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়। এতে সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

একই সঙ্গে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীকে।

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি, বাজার ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব ও বাণিজ্যসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং নীতিগত প্রস্তাবসমূহ এই কমিটিতে পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় সুপারিশের ভিত্তিতে বিষয়গুলো পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

একই দিনে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে ১০ জন উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, রাষ্ট্রপতির নতুন প্রেস সচিব নিয়োগ এবং প্রশাসনিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্তও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।