× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা হলো স্বাধীনতা পুরস্কার। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য-সংস্কৃতি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, শিক্ষা, চিকিৎসা, সমাজসেবা, অর্থনীতি, প্রশাসনসহ নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পদকে ভূষিত করা হয়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া এই পুরস্কারটি শুধু একটি সম্মাননাই নয়, বরং দেশের প্রতি অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হয়।

১৯৭৭ সালে প্রবর্তিত এই পদকটি সাধারণত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করার মাধ্যমে জাতীয়ভাবে তাদের অবদানকে স্মরণ ও মূল্যায়ন করা হয়।

২০২৬ সালের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ও পদক

সরকারের সর্বশেষ সংশোধিত নীতিমালা (২০১৯) অনুযায়ী, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কয়েকটি সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—

নগদ অর্থ: ৫ লাখ টাকা

স্বর্ণপদক: ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক

রেপ্লিকা: মূল পদকের একটি অবিকল প্রতিলিপি

সম্মাননা পত্র: অবদানের বিবরণসংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক সনদ

অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা

আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিশেষ মর্যাদা ভোগ করেন। যেমন—

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ: স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ পান।

প্রটোকল সুবিধা: অনেক ক্ষেত্রে বিমানবন্দর বা সরকারি অনুষ্ঠানে ভিআইপি প্রটোকল ও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

সামাজিক স্বীকৃতি: দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাওয়ার ফলে তারা জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হন।

প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়ভাবে সম্মানিত করা হয়।

২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা: 

ব্যক্তিবর্গ (১৫ জন)

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৫ জন ব্যক্তি হলেন, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)। 

এ ছাড়া পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। 

Link copied!