× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

৬০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি, কীভাবে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

রাজস্ব ঘাটতি, মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ইতোমধ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ছাড়িয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে একসাথে পুরো নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে সরকার।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে সরকার। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজস্ব আয় কমে যাওয়া, বৈদেশিক বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিতে হচ্ছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে যাচ্ছে। এরপরই শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অধিবেশনেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। সংসদে আলোচনা ও আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পর সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পনা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে পে কমিশনের রিপোর্ট ও সুপারিশ আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আগে সরকারের মোট বাজেট সক্ষমতা যাচাই করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ ও ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ফলে নতুন ব্যয় যুক্ত করার আগে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালোভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করলে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। তাই একবারে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর না করে কয়েক ধাপে বাস্তবায়নের কৌশল নেওয়া হতে পারে। এতে করে সরকারি কর্মচারীরা ধীরে ধীরে সুবিধা পাবেন এবং সরকারের ওপর আর্থিক চাপও কিছুটা কম থাকবে।

গত বছর প্রস্তাবিত ২১ সদস্যের পে কমিশন দীর্ঘ আলোচনা ও বিশ্লেষণের পর ২১ জানুয়ারি সরকারের কাছে তাদের সুপারিশ জমা দেয়। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সুপারিশ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার চাইছে অর্থসংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যেও সরকারি চাকরিজীবীদের স্বার্থ রক্ষা করতে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও বজায় রাখতে হবে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে পারে সরকার।

Link copied!