× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

খালেদা জিয়াকে নিয়ে যে কবিতা আবৃত্তি করলেন মির্জা ফখরুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদের কবিতা জাতীয় সংসদে আবৃত্তি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই কবিতা আবৃত্তি করেন তিনি।

১৯৯২ সালের ২০ নভেম্বর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল আল মাহমুদের একটি বিশেষ কবিতা, যেখানে তিনি খালেদা জিয়াকে নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। সেই কবিতা আজ জাতীয় সংসদে আবৃত্তি করেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল।

আল মাহমুদের লেখা কবিতাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

খালেদা
আল মাহমুদ

তোমার মুখের দিকে চেয়ে আছে বাংলার ভোরের আকাশ
এদেশের গুল্মলতা ছুঁতে চায় পল্লবিত আঁচল তোমার।
যেন এক প্রতিশ্রুতি হেঁটে যায় আমাদের কণ্টকিত কালের ভিতরে।
লাঞ্ছিতের আহ্বানে যেন মাটি জন্ম দিল শস্যগন্ধী মাটিরই কন্যাকে।

প্রত্যাশার কণ্ঠস্বর কে জানে কি মন্ত্রবলে তুমি
কেবল ছড়িয়ে দিচ্ছ, মাঠঘাট আদিগন্ত শস্যের কিনারে।
আমরাও সাক্ষ্য দেব, হাঁ আমরা একদা দেখিছি,
দেখেছি মাতাকে এক অনিঃশেষ আঁধারে দাঁড়িয়ে
আলোর ডানার মত মেলে দিয়ে ব্যাগ্র দুই বাহু
এগারো কোটির মাঝে নেমেছিল বিদ্যুৎবিভায়!

কখনো ভুলোনা যেন তোমার ঘোমটায় আছে মানুষের আশার বারুদ,
ভুলোনা, তোমার বাক্য প্রতীক্ষিত নিঃশ্বাস জাতির।
অবিচল, পিঙ্গলাক্ষী হে মাতৃকা, মানুষের আশাকে জাগাও।

আল মাহমুদ
১৯/১১/৯২

খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল জাতীয় সংসদে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ৫৪ বছরে ৪৩ বছর দাপটের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, দুইবার বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন। খালেদা জিয়ার সম্পর্কে অল্প সময়ে কথা বলা কঠিন। তিনি একজন দূরদর্শী সম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক। তার মূল লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। তিনি দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, নারীদের উন্নয়ন, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কৃষকদের ঋণ মওকুফ, অর্থনীতি প্রাণবন্ত করতে ভ্যাট চালু করেছেন।

মির্জা ফখরুল আরও অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্টরা তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল কিন্তু পারে নাই। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি মুক্ত হয়েছেন। এবং মুক্ত হয়ে বলেছেন, প্রতিহিংসা নয়, মানুষকে ভালোবাসার মাধ্যমে কল্যাণকর বাংলাদেশ গড়তে হবে।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামী যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সকলের প্রতি শ্রদ্ধা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!