অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতর থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি ঠেকাতে পারিনি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর পান্থপথে অনলাইন গণমাধ্যম ঢাকা স্ট্রিম কার্যালয়ে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: ক্যাবের ১৩ দফা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, চুক্তির প্রক্রিয়া নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে নয়, বরং অনেক আগে থেকেই চলছিল। সরকারের ভেতরে থেকেও চুক্তি ঠেকানো সম্ভব হয়নি।
ফরিদা আখতার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাংস ও পোলট্রির বাচ্চা, ক্যাটফিশ ও নাড়িভুঁড়ি আমদানি হলে দেশে জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্যের ঝুঁকি, বিশেষ করে জুনোটিক রোগের সম্ভাবনা বিবেচনা করা জরুরি। তবে চুক্তিতে সেই সুযোগ ছিল না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত উৎপাদিত মাংস বাংলাদেশে ডাম্পিং হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বিদেশি সস্তা মাংস আমদানি হলে দেশের প্রায় ২ কোটি খামারি ও পশুপালন নির্ভর মানুষ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বেন। ফরিদা আখতার জানান, নাগরিক ও সরকারের একজন হিসেবে তিনি চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন, শেষ পর্যন্ত সরকারের ভেতর থেকেও এটি ঠেকানো সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের মেয়াদে প্রতিদিন বিভিন্ন আন্দোলন ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। ফলে সব কাজ শুরু করা গেলেও সবকিছু সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি।

