× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম

নাড়ির টানে কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের ঢল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ক্যালেন্ডারের পাতায় ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসতেই শুরু হয়েছে শেকড়ের টানে বাড়ি ফেরার আমেজ। যান্ত্রিক নগরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন লাখো মানুষ। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকেই ঢাকার প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম যেন পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে।

সড়কপথে যানজটের চিরাচরিত শঙ্কা আর দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাত্রার প্রত্যাশায় ট্রেনকে বেছে নিয়েছেন সিংহভাগ যাত্রী। তবে যাত্রীর চাপ এতটাই বেশি যে ট্রেনের ভেতর তিল ধারণের ঠাঁই নেই। 

অধিকাংশ ট্রেনের বগির ভেতরে জায়গা না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত শত যাত্রীকে ট্রেনের ছাদে চড়তে দেখা গেছে। বিশেষ করে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস এবং দেওয়ানগঞ্জগামী তিস্তা এক্সপ্রেসের ছাদে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঈদ যাত্রা নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, গতকাল টিউশনি সেরে আজ ভোরেই স্টেশনে হাজির হয়েছি, অনলাইনে টিকিট না পেয়ে শেষ ভরসা হিসেবে সংগ্রহ করেছেন স্ট্যান্ডিং টিকিট। 

তিনি জানান, ট্রেনের ভেতরটা যেন লোহার খাঁচা, ঢোকার কোনো পথ নেই। তাই বাধ্য হয়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছাদেই উঠেছি। আবহাওয়া একটু মেঘলা, ভয় লাগছে পরিবারের জন্য কেনা নতুন কাপড়গুলো ভিজে যায় কি না। তবুও বাড়ি যাচ্ছি—এটাই বড় তৃপ্তি।

আরেক যাত্রী জানান, বাসে গেলে মহাখালী পার হতেই দুই-তিন ঘণ্টা লেগে যেতে পারে, সেই আশঙ্কায় তিনি ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছেন। 

এদিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এবার নজিরবিহীন কড়াকড়ি দেখা গেছে। রেলওয়ে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে তিন স্তরের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। টিকিট ছাড়া কাউকে কোনোভাবেই প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। 

ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) আফতাব জানান, যাত্রীদের চাপের কথা মাথায় রেখে মোট আসনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু করা হচ্ছে, যাতে অন্তত দাঁড়িয়ে হলেও মানুষ বাড়ি ফিরতে পারে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!