× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটছে রেলওয়ে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলওয়ের নিজস্ব জমিতে থাকা গাছ নির্বিচারে কাটা হচ্ছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলওয়ের নিজস্ব জমিতে থাকা গাছ নির্বিচারে কাটা হচ্ছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নতুন রেললাইন সংযোগ, জায়গা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলওয়ের নিজস্ব জমিতে থাকা গাছ নির্বিচারে কাটা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, রেললাইনের পাশের গাছগুলো অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকহীন অবস্থায় রয়েছে, যা অনিয়মের সুযোগ তৈরি করছে।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় রেল কর্মকর্তাদের যোগসাজশে টেন্ডারবিহীনভাবে গাছ বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-দিনাজপুর, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-ফরিদপুর ও ঢাকা-কুষ্টিয়া রুটসহ বিভিন্ন এলাকায় এমন ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার অভিযোগ, গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন তুললে অনেক সময় রেল কর্তৃপক্ষ ‘উন্নয়নের প্রয়োজনে’ গাছ কাটার যুক্তি দেখায় এবং বাধা দেওয়ার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২৫ কোটি গাছ রোপণের অঙ্গীকার থাকলেও বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া এভাবে গাছ কাটার ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, রেলওয়ের অনেক জমিতে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা গাছ রয়েছে, যেখানে অতীতে বন বিভাগকে বাগান তৈরির সুযোগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সেই গাছগুলো নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বনজ দ্রব্য পরিবহন (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০১১-এর বিধি ৫(১) অনুযায়ী, সরকারি বা আধা-সরকারি কোনো সংস্থা, এমনকি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও গাছ কাটতে হলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি নিতে বাধ্য।

তবে অভিযোগ উঠেছে, রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তা এই নিয়ম উপেক্ষা করে অবৈধভাবে গাছ কাটছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম রেলওয়ে কোয়ার্টার এলাকায় একটি বড় গাছ কাটার ঘটনা জাতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হলেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

সূত্র জানায়, কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী চক্রের সহায়তায় গাছ কাটার কাজ পরিচালিত হচ্ছে। বন বিভাগ বা স্থানীয় প্রশাসন বাধা দিলে উল্টো তাদের হয়রানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রেলওয়ের এক প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমার এলাকায় কোনো গাছ কাটার তথ্য নেই। তবে চট্টগ্রামে একটি গাছ কাটার কথা শুনেছি।’

অন্যদিকে আগারগাঁওস্থ বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, উন্নয়নমূলক কাজসহ যেকোনো কারণে গাছ কাটতে হলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি বাধ্যতামূলক। বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেকেই ফোন রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!