ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় লক্ষাধিক অমুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয় বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আহমেদ আযম খান বলেন, সারা দেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে অসংখ্য, লক্ষাধিক অমুক্তিযোদ্ধা, যাদের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলতে কিছুই নেই, এরা অমুক্তিযোদ্ধা; তাদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় সন্নিবেশিত করে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম তার সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, তিনি ৯ নম্বর স্যাক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তার এলাকার সবাই তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানেন।
তিনি মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, তিনিসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়াদের তালিকাভুক্ত করা হবে কি না।
জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, অতীতে যারাই আমরা বিরোধী দল করতাম, তাদেরই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা হতো। তাদের সুনাম নষ্ট করা হতো। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।’

-20260221172312-20260331161916.webp)
সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন