× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

জুন থেকে দুই ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে পে-স্কেল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৈষম্য নিরসন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল নিয়ে নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং বাজেট সক্ষমতাকে বিবেচনায় রেখে সরকার এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, আগামী জুন মাস থেকেই প্রথম ধাপের আংশিক সুবিধা কার্যকর হতে পারে।

বাস্তবায়নের রূপরেখা

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর এককালীন বড় চাপ এড়াতে সরকার এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম ধাপে আগামী জুন থেকে মূল বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ সমন্বয় এবং কিছু জরুরি ভাতা পুনর্গঠন করা হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতে পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আর্থিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব

বাজারদরের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে নতুন পে-স্কেলের সম্ভাব্য ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ, যা একদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে সাহায্য করবে এবং অন্যদিকে কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর্যায়

এরই মধ্যে নবম পে স্কেলের খসড়া প্রণয়নের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতামত ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ শেষে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। জুন মাসকে লক্ষ্য রেখে বাজেট পুনর্বিন্যাসের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশা

প্রস্তাবিত এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একাংশ এটিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার আংশিক সফল সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন, অন্য অংশের মতে এটি কেবল সাময়িক সমন্বয়। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ পে স্কেলের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন, তারা চান দ্বিতীয় ধাপের বাস্তবায়ন যেন কোনোভাবেই বিলম্বিত না হয়।

সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট ও অনিশ্চয়তা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম আলোচিত উদ্যোগ ছিল নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন। তবে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এদিকে পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ অর্থের একটি অংশ অন্য খাতে ব্যয়ের খবর এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বলে জানা যায়।

বাজেট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পে স্কেল অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাজেট প্রস্তাব আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার এই বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।

অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতা

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভর্তুকি ও কর্মসূচিতে ব্যয় করা হয়েছে। ফলে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে অর্থায়নের চাপ বাড়ছে। বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে এক ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

Link copied!