× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

হচ্ছে বেতন বৃদ্ধি, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে সরকার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল নিয়ে চলতি বছরে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৫ সালে অষ্টম বেতন কাঠামো ঘোষণার পর প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন পে-স্কেলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২৫ সালে গঠিত ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন, যার নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেয়। এই প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা ১০০ শতাংশ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন (২০তম গ্রেড) বর্তমান ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে, যা প্রায় ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি। সর্বোচ্চ বেতন (১ম গ্রেড) ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, যা প্রায় ১০৫ শতাংশ বৃদ্ধি। মোট ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১:৯.৪।

নিম্ন গ্রেডে তুলনামূলক বেশি (১৪০ শতাংশ পর্যন্ত) এবং উচ্চ গ্রেডে কম (৮০–১০৫ শতাংশ) বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। পুরো কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১.০৬ লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা

প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সরকার একটি সচিব কমিটি গঠন করে প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও এখন পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের শুরু, অর্থাৎ ১ জুলাই ২০২৬। কিছু ক্ষেত্রে জুন মাস থেকেই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনার কথাও আলোচনা হচ্ছে। নতুন পে-স্কেলের জন্য বাজেটে ২২–২৫ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তুতি চলছে।

কর্মচারীদের প্রতিক্রিয়া ও চ্যালেঞ্জ

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন দ্রুত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তারা কলমবিরতি, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১৫–২০ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদরা অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্ট সময়কালীন উচ্চ গ্রেড সুবিধা নিয়ে ইতিবাচক রায় দেওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

Link copied!