চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মো. হাফিজ ইব্রাহিমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। তার মধ্যে ২৩টি মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান আছে। বর্তমানে ৮টি মেডিকেল কলেজের (যশোর, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালি ও জামালপুর) সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া মাগুরা, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা এবং নওগাঁ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাকি দুইটি (চাঁদপুর ও নীলফামারী) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সংসদে হাওরাঞ্চলে কৃষকদের দুর্ভোগ নিয়েও কথা বলেন সরকারপ্রধান। হাওরাঞ্চলের এক সংসদ সদস্যের কৃষকদের দুর্ভোগ তুলে ধরার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চিহ্নিত করে আগামী তিন মাস সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।
জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সম্পূরক প্রশ্নে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলেন, প্রবল বর্ষণে সব হাওর তলিয়ে যাচ্ছে। কৃষকেরা ধান কাটতে মাঠে লড়াই করছেন।
পরে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের বিষয়টি উদ্বেগের। তিন দিন আগে আবহাওয়া প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তিনি তিনটি জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, যেন পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টিপাত হলে ব্যবস্থা নেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসেছি এবং নির্দেশনা দিয়েছি, এ তিন জেলাসহ ময়মনসিংহের কিছু এলাকা প্রবল বর্ষণে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এসব এলাকার যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাদের ফসল নষ্ট হয়েছে, তাদের লোকেট (চিহ্নিত) করে আগামী তিন মাস সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন