× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম

‘বাড়াবাড়ি করলে বলতে ইচ্ছা করে, তোরা রাজাকার-আলশামস-আলবদর’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সরকার সবসময় সংযত ও ভদ্র আচরণ বজায় রাখছে, তবে কেউ সীমা অতিক্রম করলে কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হতে হয়। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করে তখন বলতে ইচ্ছা করে, তোরা রাজাকার, তোরা আলশামস, তোরা আলবদর।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা আন্দোলন হঠাৎ করে তৈরি হয় না; বরং দীর্ঘ সময় ধরে এর পটভূমি গড়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একটি রাজনৈতিক ধারার নেতৃত্বে ধীরে ধীরে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তারই পরিণতি হিসেবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে।

নিজের মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের বাস্তবতা যারা দেখেননি, তারা অনেক সময় ইতিহাসকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে চান। এ ধরনের প্রবণতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার চেতনা খাটো করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে এবং সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সর্বদলীয় কমিটি গঠনকেও তিনি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন।

অতীতের একটি অভিজ্ঞতা স্মরণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে পাকিস্তানে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের কারণে তাকে অবজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তার মনে দাগ কেটে আছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করে তিনি অনেক সময় নীরব থাকেন বলেও জানান।

শেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি অতিরিক্ত উসকানিমূলক আচরণ করে, তাহলে ইতিহাসের কঠোর বাস্তবতা সামনে এনে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!