× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

৯ম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পটুয়াখালীতে সমাবেশ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালীর উদ্যোগে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জনাব আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আশিকুল ইসলাম।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পটুয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব মো. শাহাবুদ্দিন মুন্সী শাবু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহিন খান ও রাশেল শেখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখার সদস্য সচিব জনাব মো. মুনীরুজ্জামান, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমবায় সমিতি লি., পটুয়াখালী সদর উপজেলার সভাপতি জনাব মো. আবু জাফর, স্বাস্থ্য পরিদর্শক কল্যাণ সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব মো. শহীদ বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কল্যাণ সমিতি পটুয়াখালীর সভাপতি জনাব মো. কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য সহকারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মো. দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব কীর্তিবাস চন্দ্র পাল, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মো. শাহজাহান সিকদার, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা সৈয়দ মিজানুর রহমান, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব শামিম মৃধা, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব মো. বশির উদ্দিন, পৌর কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান খোকন, এবং চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব আব্দুল গাফফার বিশ্বাস।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি বন্ধুত্ব কর্মচারী কল্যাণ সমিতি পটুয়াখালী জেলার সভাপতি জনাব মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি পটুয়াখালীর সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মালেক বলেন, দীর্ঘ ১১ বছরেও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলেও বেতন কাঠামোয় কার্যকর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের অধিকাংশ কর্মচারী ব্যাংক, বীমা ও প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মাস শেষে ঋণের কিস্তি পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর পে-কমিশন গঠন করা হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, সরকার তিন ধাপে তিন বছরে পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিতে পারে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

আব্দুল মালেক বলেন, “দীর্ঘ ১১ বছর অপেক্ষার পর যদি পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে বাস্তবে এর সুফল পাওয়া যাবে না। বরং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই বৃদ্ধি কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়বে।”

সংগঠনের সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ‘কাজ বেশি, মাইনে কম’—এই বাস্তবতায় আমরা দিন পার করছি। তাই দ্রুত ও কার্যকরভাবে সর্বোচ্চ দুই ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।”

তিনি বলেন, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে পে-স্কেলের প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে না। বরং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে আংশিক বেতন বৃদ্ধি বাস্তবে কোনো স্বস্তি বয়ে আনবে না।

সভা থেকে বক্তারা আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে সর্বোচ্চ দুই ধাপে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতা কার্যকর করা হলে দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং দেশের প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবার কিছুটা স্বস্তি পাবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের অগ্রযাত্রায় তাদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

Link copied!