× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম

নতুন পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পরে যখন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আন্দোলনে সরব হয়ে উঠেছেন দেশের সরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আশ্বাস মিললেও কার্যকর কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও ক্ষোভ। ক্রমাগত বেড়ে চলা জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে অনেকেই চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন পে-স্কেল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি তুলছেন, আবার কেউ সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা চাচ্ছেন। এরই মধ্যে  দেশের বিভিন্ন জায়গায় পে-স্কেল বাস্তবায়ন দাবির পক্ষে কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। পাশাপাশি আগামী ১৬ মে  জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সবাবেশের ডাক দিয়েছে সরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভাষ্য, নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি না হলে তাদের আর্থিক দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

তাদের দাবি, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতের কর্মচারীদের জন্য একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত বেতন কাঠামো এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পুরোপুরি বেতন বৃদ্ধি না করে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের চিন্তা করছে সরকার।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে কার্যকর করা হতে পারে। প্রথম ধাপে আগামী অর্থবছরে মূল বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পে-কমিশন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল, সরকারের বিবেচনায় তা কমিয়ে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখা হতে পারে। পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে ধাপে ধাপে বাকি সুবিধা ও নতুন ভাতাগুলো যুক্ত করা হবে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের পে-কমিশন গত ২১ জানুয়ারি সরকারের কাছে তাদের সুপারিশমালা জমা দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য নতুন বেতন-ভাতা বাস্তবায়নে বর্তমান ব্যয়ের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। বিশাল এই আর্থিক চাপ সামাল দিতেই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কমিটি।

এ ছাড়া জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য পৃথক বেতন কাঠামোর প্রতিবেদনও প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে আগামী অর্থবছরের বাজেটেই নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। প্রথম ধাপে মূল বেতনের বড় অংশ কার্যকর হওয়ার পর ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সুবিধা ও নতুন ভাতাগুলো চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে শিক্ষক নেতারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তাদের দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। ফলে নতুন পে-স্কেল ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যেও এখন বাড়ছে প্রত্যাশা, উৎকণ্ঠা এবং আন্দোলনের চাপ।

Link copied!