× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

দেশের জন্য ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে ফারাক্কা বাঁধ : মির্জা ফখরুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল। সেই বাঁধ এখনো চালু থাকায় এটি দেশের জন্য ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার শুরু করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ১৬ মে বাংলাদেশের জাতীয় আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন। আজ থেকে ৪৯ বছর আগে অবিসংবাদিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে লাখো জনতা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত গঙ্গা নদীর পানি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ন্যায্য হিস্যা আদায়ের সংগ্রামে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামত উপেক্ষা করে ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েক দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। তবে সেই বাঁধ এখনো চালু থাকায় এটি দেশের জন্য এক ধরনের ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। তার অভিযোগ, তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই বঞ্চনা এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকেই দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা মওলানা ভাসানী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করেন। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজরে আনেন। এরপর থেকেই ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কার সঙ্গে যুক্ত ফারাক্কা বাঁধ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়।

ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ করে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে একতরফাভাবে নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ নিষ্ফলা ঊষর ভূমিতে পরিণত হওয়ার আলামত ইতোমধ্যেই ফুটে উঠেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ন্যায্য পাওনা আদায়ের সংগ্রামে ১৬ মে ১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে জনগণের ঐতিহাসিক মিছিল রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে অকুতোভয় সাহসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়েছিল। তাই প্রতি বছর ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ যেকোনো অধিকার আদায়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে।

Link copied!