× UCB Sticker Card
শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম

শাহজালালের কার্গোতে লাগা আগুনের ঘটনা তদন্তে কমিটি, সকালেই প্রতিবেদন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে শনিবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, ‘তদন্ত শেষ হলে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘শর্ট সার্কিট হবে কেন? আগের অগ্নিকাণ্ডের তদন্তেও একই কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল। তাহলে কোথাও না কোথাও নিশ্চয়ই গাফিলতি রয়েছে, যা আমাদের স্বীকার করতে হবে।’

তিনি জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কারো অবহেলা বা দায়িত্বহীনতার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, গত বছরের ১৮ অক্টোবরও বিমানবন্দরের কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এরপর নতুন শেড নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। কারণ, থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে জাপানের সঙ্গে চুক্তির আওতায় নতুন কার্গো সুবিধা নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি জানান, নতুন টার্মিনালের পেছনে আমদানি ও রপ্তানির জন্য দুটি আধুনিক কার্গো গোডাউন নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটিতে প্রায় ৮ লাখ টন পণ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা থাকবে। এ কারণে স্বল্প সময়ের জন্য নতুন স্থায়ী শেড নির্মাণকে অপ্রয়োজনীয় বিবেচনা করা হয়। তবে আপাতত একটি অস্থায়ী শেড তৈরির কথা বলা হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়েও সিভিল এভিয়েশনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং বারবার এমন ঘটনা কেন ঘটছে, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো শেডের মালামাল সংরক্ষণ এলাকায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় ১৪ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।

যদিও এ অগ্নিকাণ্ড বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতিতে রূপ নেয়নি, তবে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ, গত বছরের ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

সেই ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিটকে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা কাজ করতে হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে তখন বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা ও চলাচল দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়। তবে শুক্রবার রাতের আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ফ্লাইটের সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটেনি।

Link copied!