× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম

লাইসেন্স বাঁচাতে মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম

আদ্–দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ছবি : সংগৃহীত

আদ্–দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাঁচাতে কোটি কোটি টাকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে ঘোরার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তার (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরছে’—এমন বক্তব্যের বিষয়ে ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, এ কথা সত্য নয়। আমরা কেন টাকা নিয়ে ঘুরব? আমাদের টাকা নিয়ে ঘোরার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরেছি—এটা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল প্রসঙ্গে গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদীতে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে। আল্লাহর রহমতে আর আপনাদের দোয়ায় টাকার প্রতি আমার কোনো লোভ হয়নি। আমাকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনি যা করবেন, পূর্ণ সমর্থন দেব। আমি লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি।

হাইকোর্টে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এক আইনজীবীর করা রিটের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই জড়িত নয় বলেও জানান তিনি।

শিশু মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিক কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের ময়নাতদন্তও হয়নি।

ডা. শেখ মহিউদ্দিন আরও বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ না থাকলেও যেসব বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, হাসপাতালের জন্য অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড পরিমাপক যন্ত্র কেনা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে। শিশু ওয়ার্ডটি সিলগালা করা হয়েছে; সেটি খুলতে চাবিও চাওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

Link copied!