× UCB Sticker Card
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : মির্জা ফখরুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দেশের গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা তখনই প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী হয়, যখন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর ও ক্ষমতাবান হয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. পয়গাম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকার প্রশাসন, বিচার, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারকে সেই কাঙ্ক্ষিত শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে স্থানীয় সরকারকে প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়নের।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরাই তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিনিধি। স্থানীয় মানুষের সমস্যা, চাহিদা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে তাদের মতো আর কেউ এতটা জানেন না। তাই দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের শাসনামলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কল্যাণে ট্রাস্ট ও তহবিল গঠনের বিষয়েও সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে বলে আশ্বাস দেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনসহ ভবিষ্যতের সব নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং জনগণের ভোটেই চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা নির্বাচিত হবেন।

সংগঠনের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সব বিভাগ ও জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি গঠন করতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে নয়, দেশের স্বার্থে বিশ্বাসী সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মাধ্যমেই সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। দুর্যোগের সময় ত্রাণ বিতরণসহ সব ধরনের কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

Link copied!