× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১০:২২ এএম

বিমানবন্দরগুলোতে বিস্ফোরক শনাক্তে বসছে ইটিডি মেশিন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১০:২২ এএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে অত্যাধুনিক ‘এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেকশন (ইটিডি)’ মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫টি অত্যাধুনিক ইটিডি মেশিন সংগ্রহ ও স্থাপন করা হবে। ধাপে ধাপে দেশের আন্তর্জাতিক ও গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ সব বিমানবন্দরে এসব যন্ত্র বসানো হবে। লাগেজ না খুলেই ইটিডি মেশিন যেকোনো ধরনের বোমা ও বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত করবে।

বেবিচকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সক্রিয়তা এবং যাত্রী ও ফ্লাইট অপারেশনের চাপ বৃদ্ধির কারণে বিমানবন্দরগুলো আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সেখানে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই ইটিডি মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইটিডি মেশিন মূলত বিস্ফোরক উপাদানের অণু শনাক্তে সক্ষম একটি আধুনিক যন্ত্র। এই যন্ত্রের মাধ্যমে যাত্রীর হাত, কাপড়, জুতা, ব্যাগ, লাগেজ কিংবা মোবাইল ফোনসহ সন্দেহজনক যেকোনো বস্তু থেকে নেওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। সাধারণত নিরাপত্তাকর্মীরা একটি বিশেষ সোয়াব বা কাগজের মাধ্যমে যাত্রীর হাত বা লাগেজ হালকাভাবে স্পর্শ করেন। এরপর সেই সোয়াবটি মেশিনে প্রবেশ করানো হলে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফল পাওয়া যায়। বিস্ফোরকের উপস্থিতি থাকলে মেশিনের স্ক্রিনে ‘অ্যালার্ম’ প্রদর্শিত হয়।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেছেন, বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী এই ইটিডি মেশিন কেনা হচ্ছে। এর আগেও এ ধরনের মেশিন কয়েকটি বিমানবন্দরে ছিল। সেগুলো এখন কার্যকর নেই। যে কারণে নতুন করে ইটিডি মেশিন বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ইটিডি মেশিন টিএনটি, আরডিএক্স, পিইটিএন, নাইট্রেট ও পারঅক্সাইডভিত্তিক বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক ও বাণিজ্যিক বিস্ফোরক শনাক্তে সক্ষম। ফলে সন্দেহভাজন যাত্রী বা লাগেজ দ্রুত আলাদা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। এতে একদিকে বিমান ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়বে, অন্যদিকে যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

বেবিচক কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তুলনামূলকভাবে বেশিসংখ্যক ইটিডি মেশিন বসানো হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরেও পর্যায়ক্রমে এসব যন্ত্র স্থাপন করা হবে। তবে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এটি শুধু সন্দেহভাজন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে। সময়ও কম লাগবে। ফলে অপ্রয়োজনীয় তল্লাশি কমবে এবং যাত্রীসেবা ব্যাহত হবে না। এই লক্ষ্যে যন্ত্র পরিচালনায় দক্ষ জনবল তৈরি করতে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

Link copied!