রাষ্ট্রক্ষমতা বা নেতৃত্ব কেবল একটি শাসনতান্ত্রিক সর্বোচ্চ আসন নয়; বরং এটি জনগণের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং অনুভূতির এক বিশাল দায়বদ্ধতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার জাঁকজমক, আত্মপ্রচারণা এবং ব্যক্তি-পূজার যে দীর্ঘস্থায়ী সংস্কৃতি আমরা দেখে এসেছি, সেখানে এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় যেকোনো প্রচারণায় নিজের ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে তিনি যে নজির স্থাপন করেছেন, তা কেবল একটি প্রশাসনিক নির্দেশনামাত্র নয়; এটি মূলত এক গভীর রাজনৈতিক দর্শনের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে হচ্ছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর তিনি যে সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আজ তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি আচরণে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন ঘটছে। তিনি আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশের বুকে সুশাসনের এক অনিন্দ্যসুন্দর মালা গেঁথে চলেছেন।
বিগত স্বৈরাচার সরকার আমলে বাংলাদেশের মানুষ এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় প্রতিটি অনুষ্ঠানে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রচারণায়, এমনকি অতি সাধারণ কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিজ্ঞাপনেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করা ছিল এক প্রকার বাধ্যতামূলক প্রথা। ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের প্রচারণামূলক উপকরণের সিংহভাগ স্থান দখল করে থাকত সরকারপ্রধান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিশাল অবয়ব। এর ফলে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তু, উদ্দেশ্য এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো আড়ালে পড়ে থাকত।
ব্যক্তি-পূজার এই সর্বগ্রাসী সংস্কৃতির কারণে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় হতো এবং সুশাসনের বুনিয়াদ ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। ক্ষমতার চারিপাশে এক ধরণের তোষামোদি বলয় তৈরি হয়েছিল, যা রাষ্ট্রযন্ত্রকে সাধারণ মানুষের আকুতি থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এই অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূলে আঘাত করেছেন। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক ঐতিহাসিক পরিপত্রের মাধ্যমে সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠানের প্রচারে ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডসহ সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে যে, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার বা বিলবোর্ডে থ্রিডি কিংবা অন্য কোনো আঙ্গিকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি প্রচারণামূলক উপকরণের নকশা এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
এই নির্দেশনার গুরুত্ব ও তাৎপর্য গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণের দাবি রাখে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে যে, ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণার চেয়ে রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য এবং জনগণের জানার অধিকার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রচারণাসামগ্রী প্রস্তুতের ক্ষেত্রে এখন থেকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিষয়বস্তুই সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে এবং প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক সংস্কার নয়, বরং এটি বাংলাদেশে সুস্থ, আধুনিক এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রথম এবং অন্যতম প্রধান ভিত্তিপ্রস্তর।
সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো জনকল্যাণে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি আচরণে এক ব্যতিক্রমী ও অনুকরণীয় নজির স্থাপন করে চলেছেন। তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী হয়েও অত্যন্ত সীমিত প্রটোকল গ্রহণ করছেন।
তাঁর পোশাকে-আশাকে, চলনে-বলনে এবং সাধারণ মানের খাবার-দাবারে সবসময় বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতির প্রতিফলন ঘটে। তিনি নিজেকে জনগণের শাসক নয়, বরং একজন বিনয়ী সেবক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। ক্ষমতার আভিজাত্য পরিহার করে জনগণের সাথে মিশে যাওয়ার এই বিরল গুণটি আজ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ আমাদের চোখ খুলে দেয়:
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক রেওয়াজ ভেঙে জাতীয় বাজেট অধিবেশনের পর প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজ বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১ কোটি টাকা সাশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিদিনের সাধারণ ও আপ্যায়ন খাবারের খরচ বহুলাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য বরাদ্দকৃত রাষ্ট্রীয় প্লট এবং শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়ের বিশেষ সুবিধা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশনে অহেতুক বিতর্ক এড়ানো এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রশংসার বদলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী ও আইন প্রণয়নে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
এসব বাস্তবমুখী ও সাহসী পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, তারেক রহমান সত্যিকার অর্থেই এই দেশকে এবং এদেশের মাটি ও মানুষকে নিজের হৃদয়ে সর্বতোভাবে ধারণ করেছেন।
যেখানে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট এবং স্বার্থের দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত বৈশ্বিক ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের সামনে নানা ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান, সেখানে একজন সরকারপ্রধানের এই কৃচ্ছ্রসাধন ও দেশপ্রেম দেশের অর্থনীতিকে এক শক্তিশালী বার্তা দেয়। এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তটি দেশের সাধারণ করদাতাদের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শনের শামিল, যা অতীতে কল্পনাই করা যেত না।
আজ দেশের সচেতন সমাজ ও সাধারণ জনগণ মুক্তকণ্ঠে বলছেন যে, তারেক রহমান সত্যিকার অর্থে তাঁর পিতা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের একজন যোগ্য উত্তরসূরী। তিনি তাঁর মহান পিতাকেই আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করে চলেছেন। শহীদ জিয়া যেমন সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের অংশীদার হতে খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে হেঁটে বেড়িয়েছেন, সাধারণ লুঙ্গি-শার্ট পরে সাধারণ মানুষের সাথে মিশে গেছেন, ঠিক তেমনি এক গভীর দেশপ্রেম ও সাধারণ জীবনযাপনের প্রতিচ্ছবি আমরা দেখতে পাচ্ছি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাঝে।
আমি এর আগেও আমার বহু লেখায় এবং কলামে অবলীলায় বলেছি, তারেক রহমান আপাদমস্তক এমনই একজন বিনয়ী মানুষ। ক্ষমতার শীর্ষবিন্দুতে থেকেও এই বিনয় তাঁর কোনো সাময়িক বা নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নয়। যাঁরা তারেক রহমানকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁর সাথে মিশেছেন, তাঁরা সবাই তাঁর এই সহজাত বিনয় ও ভদ্রতার কথা একবাক্যে স্বীকার করেন।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে দেশি ও বিদেশি একটি কুচক্রী মহল তারেক রহমান তথা জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে এক সর্বগ্রাসী চরিত্রহননের খেলায় মেতে উঠেছিল। তাঁরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছিল কেবল এই পরিবারের ঐতিহ্য এবং অবদানকে এদেশের মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার জন্য। তাঁরা চেয়েছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল পাতা থেকে জিয়া পরিবারের নাম চিরতরে মুছে দিতে।
কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা একটি পরম সত্য ভুলে গিয়েছিল—মানুষের হৃদয়ে জোর করে স্থান নেওয়া যায় না, আবার মানুষের হৃদয়ের গভীরে স্থান করে নেওয়া কোনো মহানায়ককে চক্রান্ত করে মুছে ফেলাও যায় না। এদেশের লক্ষ-কোটি মানুষের হৃদয়ের গভীরে জিয়া পরিবারের জন্য যে অকৃত্রিম ও অবিচল ভালোবাসা লুকিয়ে আছে, তা বিগত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।
সেই নির্বাচনে তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে। এই বিজয় কেবল একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা লাভ নয়, বরং এটি ছিল জিয়া পরিবার তথা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চলা সমস্ত মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে জনগণের এক ঐতিহাসিক ব্যালট বিপ্লব।
এই রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এদেশের সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় জিয়া পরিবার এবং তারেক রহমানের অবস্থান কতটা সুদৃঢ়। কোনো দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র, কোনো অর্থবল বা প্রোপাগান্ডা এই অবস্থানকে বিন্দুমাত্র নস্যাৎ করতে পারবে না।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তারপর তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিনী, আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মানুষের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। আর বর্তমানে সেই একই গৌরবময় ও দেশপ্রেমের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার বয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আমরা যদি একটু পিছন ফিরে তাকাই, তবে মনে পড়বে সুদীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের নির্বাসিত ও কণ্টকাকীর্ণ জীবন কাটিয়ে লন্ডন থেকে যেদিন তারেক রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পদার্পণ করেছিলেন, সেদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে গুলশান পর্যন্ত বিস্তৃত লক্ষ লক্ষ জনতার মহাসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি একটি ঐতিহাসিক বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন—"আই হ্যাভ এ প্ল্যান" (আমার একটি পরিকল্পনা আছে)। আজ রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি একের পর এক নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাঁর সেই মহতী পরিকল্পনার ঝলক দেখিয়ে চলেছেন। তাঁর প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি পরিকল্পনা এবং প্রতিটি পদক্ষেপের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কেবল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের আপামর জনগণের স্বার্থ।
বর্তমান স্বার্থের দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং অর্থনৈতিক নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে তারেক রহমানের মতো একজন দেশপ্রেমিক, অকৃত্রিম, নিরহংকারী এবং দূরদর্শী মানুষের প্রধানমন্ত্রীর আসন অলংকৃত করা বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিই এক পরম সৌভাগ্য। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাঁর এই সুশাসনের সুদৃঢ় মালা আগামী দিনের বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর মতো এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
যেখানে নিশ্চিত হবে যুবসমাজের উপযুক্ত কর্মসংস্থান, পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে প্রকৃত বহুদলীয় গণতন্ত্র, সুশাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে একটি সম্পূর্ণ বৈষম্যমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ। তারেক রহমান দেশের সাধারণ মানুষের একজন হয়েই বেঁচে থাকতে চান এবং তাঁর এই সুশাসনের কীর্তি তাঁকে যুগ থেকে যুগান্তরে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অমর করে রাখবে।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন।

