× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৮:২৪ পিএম

কে হচ্ছেন শিবিরের পরবর্তী কেন্দ্রীয় সভাপতি?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৮:২৪ পিএম

ইসলামী ছাত্রশিবিরের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

ইসলামী ছাত্রশিবিরের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন-২০২৫ আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে সংগঠনের কয়েক হাজার সদস্যের সরাসরি গোপন ভোটে ২০২৬ মেয়াদের নতুন কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রত্ব শেষ হওয়ায় সংগঠনের বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম আর দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নন। গঠনতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শিবিরের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সারা দেশ থেকে আগত কেন্দ্রীয় সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন। নির্বাচিত সভাপতি পরবর্তীতে একজনকে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনীত করবেন।

এবারের সম্মেলনকে ঘিরে কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। শীর্ষ পদটির দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সিবগাতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ এবং কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।

সংগঠনটির ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সাধারণত সেক্রেটারি জেনারেলই পরবর্তী কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। ব্যতিক্রমের নজির খুবই কম। সে হিসেবে নুরুল ইসলাম সাদ্দামের সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ক্ষেত্রে আলোচনায় থাকা অন্যান্য নেতাদের মধ্য থেকে সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংগঠনের নেতারা জানান, সভাপতি ও সেক্রেটারি উভয় পদেই বর্তমান আলোচনায় থাকা নেতাদের মধ্য থেকেই নেতৃত্ব আসতে পারে।

নেতারা আরও মনে করছেন, ২০২৫ সালের এই সম্মেলন ছাত্রশিবিরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে মেধাবী, সংগঠক ও কৌশলী নেতৃত্ব প্রয়োজন। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারায় নিজেদের অবস্থান সুসংহত করাও নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য হবে।

Link copied!