× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

দেশ পুনর্গঠনে নারী-পুরুষ সবাইকে কাজ করতে হবে : তারেক রহমান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশকে পুনর্গঠন করতে হলে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ করলে চলবে না। নারী-পুরুষ সবাইকে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলেছে তারা নারীদের কী চোখে দেখে। নারীদের কীভাবে ঘরে রাখা যায় তা নিয়ে ব্যস্ত তারা।

তিনি বলেন, একটি দল নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী ধর্মকে ব্যবহার করছে। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যারা নারীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়, তারা নির্বাচিত হলে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কী আচরণ করবে, সে প্রশ্ন জনগণের সামনে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে প্রতিটি পরিবারে নারীরা এখন সংসার চালাচ্ছেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই উপার্জন করছেন। অথচ একটি দল তাদের অপমান করছে।

তারেক রহমান বলেন, মা-বোনদের বলব, যারা নারীদের অপমান করে, তাদের কীভাবে জবাব দেবেন, তা ভেবে দেখুন। যে দলে নিজেরাই নারী সদস্য রয়েছে, সে দলই যদি নারীদের অবমাননা করে, তাহলে তাদের প্রকৃত পরিচয় কী—সেই প্রশ্ন জনগণকেই করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি গৃহিণী ও মায়ের কাছে আমরা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেব। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন, কাউকে তাদের মুখাপেক্ষী হতে হবে না। খালেদা জিয়ার সরকার নারী শিক্ষাকে বিনামূল্যে করেছিল, যাতে এই বিশাল জনশক্তি আলোকিত হতে পারে। আমরা সেই ধারা বজায় রেখে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিগত পনেরো-ষোলো বছর মানুষ ভোটের অধিকার পায়নি, মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারেনি। কেউ কথা বলতে চাইলে তাকে রাতের আঁধারে গুম বা খুন করা হয়েছে। বহু নেতাকর্মী গায়েবি মামলার শিকার হয়েছেন। অবশেষে ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে মানুষ রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় দিয়েছে।

Link copied!