ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের চায়ের আমন্ত্রণে অংশ নিয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় কাকরাইলস্থ মির্জা আব্বাসের বাসভবনে আয়োজিত এই চায়ের অনুষ্ঠানে মেঘনা আলম উপস্থিত ছিলেন। মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সহকারী ও বিএনপির শাহবাগ থানা আহ্বায়ক জাকির হোসেন মিন্টু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চায়ের আসরে উপস্থিত হয়ে মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি শুনেছি, সরকারের একটি মহল কয়েকজন প্রার্থীর লিস্ট করেছে এবং তাদের পাস করানোর চেষ্টা করছে। কারো কারো ক্ষেত্রে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের পক্ষপাতিতা লক্ষ করা গেছে। কিছু প্রার্থী দাবি করছেন, তারা ইতোমধ্যেই জয়ী, আবার সরকারের কিছু মহল বলছে—তাদের সংসদে যাওয়া উচিত। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলেও পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে। এটি দুঃখজনক।’
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘ভোট কি হবে বা না হবে তা নির্বাচন শেষে জনগণ ঠিক করবে। কিন্তু আমি নিজের জীবনের সর্বাধিক সময়ই এখানকার মানুষের পাশে ছিলাম। আমি এই এলাকায় জন্মেছি, বড় হয়েছি, স্কুলে পড়েছি। আমার এই এলাকার সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ ছিল। আগের প্রার্থী বা নতুন আসা প্রতিদ্বন্দ্বীরা কখনো এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তার প্রমাণ পাওয়া যাবে না। গত ১৭-১৮ বছরে কেউ এখানে পরিবারের অনুষ্ঠানেও নিয়মিত উপস্থিত ছিল কি না তা বলা সম্ভব নয়। তা ছাড়া, এলাকার কারো জন্য অর্থ সাহায্য করেছে—এর কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু আমি সব দুর্যোগে—বন্যা, পানি বিপর্যয়, প্রাকৃতিক দুঃখে—এলাকায় উপস্থিত ছিলাম।’
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনেও আমাকে খুঁজে বেড়াবেন না। একটি ফোন দিলেই ইনশাআল্লাহ, আমাকে পাবেন। বাসায় না পেলে ফোন দিয়ে জানান—আমি আপনাদের কাছে উপস্থিত হব।’
এদিকে, চায়ের আসরে উপস্থিত মেঘনা আলমও মির্জা আব্বাসের এই আতিথেয়তার প্রশংসা করেছেন।


