× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১২:২১ পিএম

সংসদে মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১২:২১ পিএম

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।  ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, অতীতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের আইনের অধীনে পরিচালিত কমিশন দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কার্যত সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।

তার দাবি, ওই আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে বিরোধী দল, বিশেষ করে বিএনপিকে দমনের বৈধতা তৈরি করা হয়েছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, কমিশনের একজন চেয়ারম্যানের বক্তব্যে জামায়াতের নেতাকর্মীদের গুলি করাকে বৈধ বলা হয়েছিল, যা মানবাধিকার রক্ষার মূল নীতির পরিপন্থি।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রস্তাবিত এই বিলের মাধ্যমে ২০০৯ সালের আইন পুনর্বহাল হলে দেশ আবার পিছিয়ে পড়বে। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল হলে তা অগ্রগতির পরিবর্তে পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংসদ সদস্য বলেন, ২০০৯ সালের আইনে গঠিত নির্বাচন কমিটিতে ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজনই সরকারপক্ষের হওয়ায় কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি উল্লেখ করে বলেন, ওই কমিটিতে স্পিকারের নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, সরকারদলীয় এমপি এবং একজন সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকেন।

তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বেশির ভাগ ঘটনায় সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকলেও কমিশন স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে পারে না। কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী বা সরকারের পূর্বানুমতি প্রয়োজন হয়, যা তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

Link copied!